কারাবন্দি আইনুল হক কাসেমীর মুক্তি চাইল হেফাজতে ইসলাম
প্রথম আলো অফিস ভাঙচুরের মামলায় কারান্তরীণ আলেম মাওলানা আইনুল হক কাসেমীকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ- এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা প্রথম আলো অফিস ভাঙচুরের মামলায় কারাবন্দি আলেম মাওলানা আইনুল হক কাসেমীর দ্রুত মুক্তি দাবি করছি। ইতোমধ্যে বিনা বিচারে জেলে তার ‘একশ’ দিন পার হয়েছে। এটি সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন। এই রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় সদ্যবিদায়ী ইউনূস সরকারের। বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, মাওলানা আইনুল হক কাসেমীসহ সংশ্লিষ্ট মামলায় যারা নিরপরাধ, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রের দায় মোচন করুন। তিনি আরও বলেন, আমাদের জানামতে, ভাঙচুরের ঘটনাটির সঙ্গে মাওলানা আইনুল হক কাসেমীর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রথম আলোর কঠোর সমালোচক হওয়ায় তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে আমরা মনে করি। তাছাড়া বিনা বিচারে একজন নিরীহ আলেম এতদিন জেল খাটতে পারেন না। বিষয়টি চরম অমানবিক। এমনকি তা নিয়ে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষেরও কোনো মাথাব্যথা নেই। আমরা
প্রথম আলো অফিস ভাঙচুরের মামলায় কারান্তরীণ আলেম মাওলানা আইনুল হক কাসেমীকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ- এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা প্রথম আলো অফিস ভাঙচুরের মামলায় কারাবন্দি আলেম মাওলানা আইনুল হক কাসেমীর দ্রুত মুক্তি দাবি করছি। ইতোমধ্যে বিনা বিচারে জেলে তার ‘একশ’ দিন পার হয়েছে। এটি সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন। এই রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় সদ্যবিদায়ী ইউনূস সরকারের। বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, মাওলানা আইনুল হক কাসেমীসহ সংশ্লিষ্ট মামলায় যারা নিরপরাধ, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রের দায় মোচন করুন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জানামতে, ভাঙচুরের ঘটনাটির সঙ্গে মাওলানা আইনুল হক কাসেমীর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রথম আলোর কঠোর সমালোচক হওয়ায় তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে আমরা মনে করি। তাছাড়া বিনা বিচারে একজন নিরীহ আলেম এতদিন জেল খাটতে পারেন না। বিষয়টি চরম অমানবিক। এমনকি তা নিয়ে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষেরও কোনো মাথাব্যথা নেই। আমরা দেশের সুশীল সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও ইসলামী দলগুলোকে মাওলানা আইনুল হক কাসেমীসহ অন্যন্য আলেমদের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হওয়ার জোরাল আহ্বান জানাচ্ছি।
মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী আরও বলেন, ‘২০১৩ সালে হেফাজতের শাহবাগবিরোধী আন্দোলন ও ২০২১ সালে মোদিবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজপথে প্রতিবাদী আলেমদের দমন ও হত্যার সম্মতি উৎপাদন করেছিল প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার। এ ছাড়া তাদের ইসলামোফোবিক এডিটোরিয়াল পলিসি এদেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও ধার্মিক প্রজন্মকে ‘জঙ্গি’ অপবাদে চিত্রিত করার জন্য দায়ী। তাদের বিভিন্ন ফেব্রিকেটেড রিপোর্ট ও ফিচারে ইসলামি মূল্যবোধকে জঙ্গিবাদের লক্ষণ হিসেবেও দেখানো হয়েছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তাদের অসংখ্য বানোয়াট রিপোর্টে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার চরিত্র হনন করা হয়েছিল। পত্রিকা দুটির পাপ ও জুলুমের বিচার আজও হয়নি। এদেশে গণমাধ্যমের প্রকৃত সংস্কার করতে হলে মানহানির অভিযোগে পত্রিকা দুটির সম্পাদকের বিচার হওয়া জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে নতুন প্রজন্মের চিন্তা-চেতনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটে গেছে। এজেন্ডা-সাংবাদিকতা ও হাস্যকর শিল্পব্যবসা দিয়ে তাদের আর ভোলানো যাবে না। আমরা সহিংসতা সমর্থন করি না। আধিপত্যবাদের মুখপাত্র হিসেবে চিহ্নিত প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও সমালোচনা জারি থাকবে ইনশাআল্লাহ।
What's Your Reaction?