কালবেলার প্রতিবেদন প্রকাশের পর যুদ্ধাহত রশিদার পাশে ইউএনও
দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন নজরে আসার পর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার যুদ্ধাহত নারী রশিদা আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাতুল ইসলাম। তিনি রশিদার চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। পাশাপাশি তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্যসামগ্রী। গত ১৫ জুন কালবেলায় ‘মরার আগে গুলিটা বের হতো দেখতাম’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে আসে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গুলিতে আহত হওয়া রশিদা আক্তার প্রায় ৫৫ বছর ধরে শরীরে গুলি নিয়েই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চরম আর্থিক সংকটের কারণে এতদিন তার শরীর থেকে গুলিটি অপসারণ বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। তিনি কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের গোপালাশ্রম (চক্রকান্দি) গ্রামের বাসিন্দা। প্রতিবেদনটি ইউএনও রিফাতুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি রশিদা আক্তারের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৭ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। একই সঙ্গে পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খা
দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন নজরে আসার পর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার যুদ্ধাহত নারী রশিদা আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাতুল ইসলাম। তিনি রশিদার চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। পাশাপাশি তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্যসামগ্রী।
গত ১৫ জুন কালবেলায় ‘মরার আগে গুলিটা বের হতো দেখতাম’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে আসে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গুলিতে আহত হওয়া রশিদা আক্তার প্রায় ৫৫ বছর ধরে শরীরে গুলি নিয়েই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চরম আর্থিক সংকটের কারণে এতদিন তার শরীর থেকে গুলিটি অপসারণ বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। তিনি কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের গোপালাশ্রম (চক্রকান্দি) গ্রামের বাসিন্দা।
প্রতিবেদনটি ইউএনও রিফাতুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি রশিদা আক্তারের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৭ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। একই সঙ্গে পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও তুলে দেন।
এ সময় ইউএনও রিফাতুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের একজন যুদ্ধাহত নারী হিসেবে রশিদা আক্তারের প্রতি রাষ্ট্র ও সমাজের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হবে।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত রশিদা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা কালবেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা আশা করেন, এবার হয়তো দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে তার স্থায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই যুদ্ধাহত নারীর পাশে দাঁড়িয়ে উপজেলা প্রশাসন যে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে, তা সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকারও এটি একটি বাস্তব প্রতিফলন।
What's Your Reaction?