কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বিদ্যুৎবিহীন এক উপজেলা

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে জনপদ। তীব্র ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি ও পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালনব্যবস্থা। ঝড়ের পর থেকেই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে লেংগুড়া ইউনিয়নে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ করেই আকাশ কালো হয়ে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় তীব্র দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি। প্রায় ১০ থেকে ১২ মিনিট স্থায়ী ওই ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ভেঙে ও উপড়ে পড়ে। কোথাও কোথাও কাঁচা ও আধাপাকা ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়। লেংগুড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ঝড়ের তাণ্ডব ছিল সবচেয়ে বেশি। সেখানে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের ওপর। এতে পুরো ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। অনেক পরিবার সন্ধ্যার পর অন্ধকারে সময় কাটাচ্ছে।  এ ছাড়া পোগলা, রংছাতি, খারনৈ, বড়খাপন ও সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাতেও ঝড়ের প্রভাব পড়েছে। লেংগুড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা লিয়াকত আলী বলেন, হঠাৎ করেই ঝড় শুরু হয়। এত জোরে বাতাস হচ্ছিল যে বিদ্যুতের খুঁটির

কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বিদ্যুৎবিহীন এক উপজেলা

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে জনপদ। তীব্র ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি ও পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালনব্যবস্থা। ঝড়ের পর থেকেই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে লেংগুড়া ইউনিয়নে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ করেই আকাশ কালো হয়ে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় তীব্র দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি। প্রায় ১০ থেকে ১২ মিনিট স্থায়ী ওই ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ভেঙে ও উপড়ে পড়ে। কোথাও কোথাও কাঁচা ও আধাপাকা ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়।

লেংগুড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ঝড়ের তাণ্ডব ছিল সবচেয়ে বেশি। সেখানে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের ওপর। এতে পুরো ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। অনেক পরিবার সন্ধ্যার পর অন্ধকারে সময় কাটাচ্ছে। 

এ ছাড়া পোগলা, রংছাতি, খারনৈ, বড়খাপন ও সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাতেও ঝড়ের প্রভাব পড়েছে।

লেংগুড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা লিয়াকত আলী বলেন, হঠাৎ করেই ঝড় শুরু হয়। এত জোরে বাতাস হচ্ছিল যে বিদ্যুতের খুঁটির ওপর গাছ পড়ে যায়। এরপরই বিদ্যুৎ চলে যায়।

এ বিষয়ে কলমাকান্দা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোজ্জামেল হক বলেন, ঝড় থামার পরপরই আমাদের একাধিক টিম মাঠে কাজ শুরু করেছে। বিভিন্ন স্থানে তার ছিঁড়ে যাওয়া ও খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। এখনো পূর্ণাঙ্গ ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া যায়নি। দ্রুত লাইন মেরামতের কাজ চলছে। তবে পুরোপুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow