কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা

হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড় ও শীলা বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা। ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ উপড়ে পড়ে চারটি পরিবারের অন্তত ছয়টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় নিজাম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল পৌনে ৭টার দিকে হঠাৎ করেই ঝোড়ো হাওয়া ও শীলা বৃষ্টির সঙ্গে শুরু হয় এই তাণ্ডব। অল্প সময়ের মধ্যেই ঝড়ের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। জানা যায়, সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাকশিড়ি এলাকায় প্রবল বাতাসে একটি বিশাল গাছ ভেঙে পড়ে নিজাম উদ্দিনের বসতঘরের ওপর। এসময় পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বের হতে সক্ষম হলেও নিজাম উদ্দিন ঘরের ভেতরেই আটকা পড়েন। পরে স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঝড়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে নিজাম উদ্দিন, লালন, নাজমুল ও নুর আলমের বাড়িঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকেই খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। এদিকে কালবৈশাখীর প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষিখাতেও ব্যাপক ক্ষতির

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা

হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড় ও শীলা বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা। ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ উপড়ে পড়ে চারটি পরিবারের অন্তত ছয়টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় নিজাম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল পৌনে ৭টার দিকে হঠাৎ করেই ঝোড়ো হাওয়া ও শীলা বৃষ্টির সঙ্গে শুরু হয় এই তাণ্ডব। অল্প সময়ের মধ্যেই ঝড়ের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

জানা যায়, সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাকশিড়ি এলাকায় প্রবল বাতাসে একটি বিশাল গাছ ভেঙে পড়ে নিজাম উদ্দিনের বসতঘরের ওপর। এসময় পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বের হতে সক্ষম হলেও নিজাম উদ্দিন ঘরের ভেতরেই আটকা পড়েন। পরে স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা

ঝড়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে নিজাম উদ্দিন, লালন, নাজমুল ও নুর আলমের বাড়িঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকেই খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

এদিকে কালবৈশাখীর প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষিখাতেও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভুট্টা, পাট ও মরিচের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আলমগীর কবীর জানান, আকস্মিক ঝড় ও শীলাবৃষ্টিতে কিছু এলাকায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে আমাদের কাজ চলমান রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

তানভীর হাসান তানু/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow