কিছুদিনের মধ্যেই ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে: পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যেই দেশে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।  রোববার (২৬ জুলাই) সোনাগাজীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।  মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংসদে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অ্যাক্ট পাস হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা শেষ করে কোথায় যাবে? কর্মসংস্থান বাড়াতে হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে, বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এদিন সকালে চরমজলিশপুর, বগাদানা ও মতিগঞ্জ ইউনিয়নে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্প এবং বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষ ও মনগাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি। বিকেলে জেলা কৃষক দল আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। মুসাপুর রেগুলেটর

কিছুদিনের মধ্যেই ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যেই দেশে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।  রোববার (২৬ জুলাই) সোনাগাজীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।  মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংসদে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অ্যাক্ট পাস হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা শেষ করে কোথায় যাবে? কর্মসংস্থান বাড়াতে হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে, বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এদিন সকালে চরমজলিশপুর, বগাদানা ও মতিগঞ্জ ইউনিয়নে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্প এবং বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষ ও মনগাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি। বিকেলে জেলা কৃষক দল আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। মুসাপুর রেগুলেটর নির্মাণ, লালপুল ফ্লাইওভার এবং রামতাঘাট উন্নয়ন আমার অগ্রাধিকার। আগামী একনেক সভায় মুসাপুর রেগুলেটর পুনর্নির্মাণ প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে বলে আশা করছি। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, জেলা কৃষক দলের সভাপতি জসিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবদিন বাবলু, সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূঞা, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন খোকন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মঞ্জুর হোসেন বাবর, সদস্য সচিব নিজান উদ্দিন এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশীদ আলম ভূঁইয়াসহ অন্য নেতারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow