কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সাদেক মিয়া নামে একজনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অন্য চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল মামুন এ রায় দেন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. শাহ কামাল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হোসেনপুর উপজেলার দক্ষিণ চরপুমদী এলাকার মৃত লাল মিয়ার বড় ছেলে রমজান মিয়া (৩৮) ও ছোট ছেলে ইয়াসিন মিয়া (৩২)। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বর বিকেলে হোসেনপুর উপজেলার দক্ষিণ পুমদি এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাদেক মিয়াকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ৮ ডিসেম্বর নিহত সাদেক মিয়ার বড় ভাই কাঞ্চন মিয়া বাদী হয়ে নয়জনকে আসামি করে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি মোহাম্মদ আলী সাদেক মিয়ার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার নিয়েছি

কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সাদেক মিয়া নামে একজনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অন্য চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল মামুন এ রায় দেন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. শাহ কামাল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হোসেনপুর উপজেলার দক্ষিণ চরপুমদী এলাকার মৃত লাল মিয়ার বড় ছেলে রমজান মিয়া (৩৮) ও ছোট ছেলে ইয়াসিন মিয়া (৩২)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বর বিকেলে হোসেনপুর উপজেলার দক্ষিণ পুমদি এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাদেক মিয়াকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ৮ ডিসেম্বর নিহত সাদেক মিয়ার বড় ভাই কাঞ্চন মিয়া বাদী হয়ে নয়জনকে আসামি করে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি মোহাম্মদ আলী সাদেক মিয়ার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। ওই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে পরিকল্পিতভাবে সাদেক মিয়াকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

তদন্ত শেষে হোসেনপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে রমজান মিয়া ও ইয়াসিন মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্য চার আসামি মো. আব্দুল কাদির মিয়া, শাহানা আক্তার, আল-আমিন ও মোহাম্মদ আলীকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।

এসকে রাসেল/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow