কিস্তির টাকা না পেয়ে গ্রাহকের গরু নিয়ে গেলেন এনজিও কর্মীরা
ঠাকুরগাঁওয়ে এক গ্রাহকের বাড়ি থেকে গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-এর বিরুদ্ধে। গত ৩০ জুলাই পৌরশহরের রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ঠাকুরগাঁও পৌরশহরের রোড এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী সুমন চন্দ্র রায়। তিনি ইএসডিওর শান্তিনগর শাখা থেকে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির আওতায় এক লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন। ঋণ নেওয়ার পর থেকে তিনি নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করে আসছিলেন। কোনো কিস্তি বকেয়া ছিল না। গত ৩০ জুলাই হঠাৎ করে ইএসডিওর কয়েকজন মাঠকর্মী তার বাড়িতে গিয়ে একটি গরু নিয়ে যান।
তাদের অভিযোগ, ইএসডি কর্মীরা একসঙ্গে সব টাকা পরিশোধের জন্য সুমনকে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে সব টাকা দিতে না পারায় তার গরুটি নিয়ে যান ইএসডি কর্মীরা।
এমন ঘটনায় সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কিস্তি আদায়ের নামে গ্রাহকের গবাদিপশু নিয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে মনে করেন তারা।
স্থানীয় মুদি দোকানি ছানোয়ার হোসেন বলেন, সুমনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সে তো পালিয়ে যাচ্ছে না। আমাদের চোখের সামনে জোর করে তার গরু নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার কিস্তির টাকাও বকেয়া নেই।
ভু
ঠাকুরগাঁওয়ে এক গ্রাহকের বাড়ি থেকে গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-এর বিরুদ্ধে। গত ৩০ জুলাই পৌরশহরের রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ঠাকুরগাঁও পৌরশহরের রোড এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী সুমন চন্দ্র রায়। তিনি ইএসডিওর শান্তিনগর শাখা থেকে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির আওতায় এক লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন। ঋণ নেওয়ার পর থেকে তিনি নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করে আসছিলেন। কোনো কিস্তি বকেয়া ছিল না। গত ৩০ জুলাই হঠাৎ করে ইএসডিওর কয়েকজন মাঠকর্মী তার বাড়িতে গিয়ে একটি গরু নিয়ে যান।
তাদের অভিযোগ, ইএসডি কর্মীরা একসঙ্গে সব টাকা পরিশোধের জন্য সুমনকে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে সব টাকা দিতে না পারায় তার গরুটি নিয়ে যান ইএসডি কর্মীরা।
এমন ঘটনায় সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কিস্তি আদায়ের নামে গ্রাহকের গবাদিপশু নিয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে মনে করেন তারা।
স্থানীয় মুদি দোকানি ছানোয়ার হোসেন বলেন, সুমনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সে তো পালিয়ে যাচ্ছে না। আমাদের চোখের সামনে জোর করে তার গরু নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার কিস্তির টাকাও বকেয়া নেই।
ভুক্তভোগী সুমন চন্দ্র রায় বলেন, আমি নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করেছি। কোনো বকেয়া নেই। নিয়ম অনুযায়ী আমি পরিশোধের আরও ৭ মাস সময় পাব। তারা এখনই সব টাকা পরিশোধ করার জন্য চাপ দেয়। তাদের কাছে আমার চেক রয়েছে। তারপরও আমার বাড়ি থেকে গরু নিয়ে গেছে। এতে আমি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। ঘটনার ছয়দিন পরও গরুটি ইএসডিওর শান্তিনগর শাখার মাঠে রাখা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শান্তিনগর শাখার এক কর্মচারী বলেন, ওই গ্রাহক অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছিলেন। এমন খবর পেয়ে আমরা গরুটি অফিসে এনে রেখেছি। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
ইএসডিওর এরিয়া ম্যানেজার মিতালি বলেন, এ বিষয়ে ম্যানেজার আরও বিস্তারিত বলতে পারবেন। তবে দুপক্ষের বক্তব্য শুনলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।