কী হালে আছে মানিকগঞ্জের সেই ‘আর্জেন্টিনা বাড়ি’

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের কালোই গ্রামে ঢুকলেই চোখে পড়ে আকাশি-সাদা রঙের একটি বাড়ি। ২০২২ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের সময় বাড়িটি আলোচনায় আসে আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে রঙের কারণে। তবে কয়েক বছর আগে করা রং এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও উঠে গেছে রঙের প্রলেপও। তবে বাড়িটির দিকে তাকালেই বোঝা যায়, এটি একজন আর্জেন্টিনা সমর্থকের বাড়ি। বাড়িটির মালিক রুবায়েত রাসেল। পেশায় ব্যবসায়ী। ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সময় প্রিয় দল আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে নিজের বাড়ি রাঙিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। সেসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় বাড়িটির ছবি। মানিকগঞ্জের গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায়ও পরিচিতি পায় তার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির সীমানা প্রাচীর ও একটি চারচালা ঘর এখনো আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে রাঙানো। বাড়ির বিভিন্ন অংশে আঁকা রয়েছে দেশটির পতাকা। তবে কয়েক বছর আগের রং এখন কিছুটা ম্লান। বাড়ির সবচেয়ে উঁচু স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। স্থানীয়রা জানান, বিশ্বকাপ এলেই রুবায়েত রাসেলের বাড়ি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেক ফুটবলপ্রেমীরা বাড়িটির সাম

কী হালে আছে মানিকগঞ্জের সেই ‘আর্জেন্টিনা বাড়ি’

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের কালোই গ্রামে ঢুকলেই চোখে পড়ে আকাশি-সাদা রঙের একটি বাড়ি। ২০২২ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের সময় বাড়িটি আলোচনায় আসে আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে রঙের কারণে।

তবে কয়েক বছর আগে করা রং এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও উঠে গেছে রঙের প্রলেপও। তবে বাড়িটির দিকে তাকালেই বোঝা যায়, এটি একজন আর্জেন্টিনা সমর্থকের বাড়ি।

বাড়িটির মালিক রুবায়েত রাসেল। পেশায় ব্যবসায়ী। ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সময় প্রিয় দল আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে নিজের বাড়ি রাঙিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। সেসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় বাড়িটির ছবি। মানিকগঞ্জের গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায়ও পরিচিতি পায় তার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

কী হালে আছে মানিকগঞ্জের সেই ‘আর্জেন্টিনা বাড়ি’

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির সীমানা প্রাচীর ও একটি চারচালা ঘর এখনো আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে রাঙানো। বাড়ির বিভিন্ন অংশে আঁকা রয়েছে দেশটির পতাকা। তবে কয়েক বছর আগের রং এখন কিছুটা ম্লান। বাড়ির সবচেয়ে উঁচু স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।

স্থানীয়রা জানান, বিশ্বকাপ এলেই রুবায়েত রাসেলের বাড়ি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেক ফুটবলপ্রেমীরা বাড়িটির সামনে এসে ছবি তোলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেসব ছবি ছড়িয়ে দেন। এ কারণেই এলাকায় তিনি ‘আর্জেন্টিনা রাসেল’ নামেও পরিচিত।

কী হালে আছে মানিকগঞ্জের সেই ‘আর্জেন্টিনা বাড়ি’

এসময় রুবায়েত রাসেল বলেন, ‘কাতার বিশ্বকাপের সময় বাড়িটি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ ফোন দিয়েছেন, খোঁজখবর নিয়েছেন। অনেকেই বাড়িটি দেখতে এসেছেন। এবারও নতুন করে রং করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ব্যবসার ব্যস্ততার কারণে আর করা হয়নি।’

আর্জেন্টিনা নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল দুই দলই বিশ্ব ফুটবলের বড় শক্তি। তবে আমার কাছে আর্জেন্টিনা সব সময়ই বিশেষ। গত বিশ্বকাপের তুলনায় দলটি এখন আরও গোছানো ও শক্তিশালী। আশা করি, এবছরও বিশ্বকাপ নেবে আর্জেন্টিনা।’

সজল আলী/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow