কুমিল্লায় ‘ক্রাইম সেটাপ’ নামে কিশোর গ্যাংয়ের আত্মপ্রকাশ, সশস্ত্র মহড়া

কুমিল্লা নগরীতে ‘ক্রাইম সেটাপ’ নামে একটি নতুন কিশোর গ্যাংয়ের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্যাংটির সদস্যরা গোমতী নদীর তীরবর্তী এলাকায় সশস্ত্র মহড়া চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১ মে) বিকেলে ভাটারপুকুর, কাপ্তানবাজার, বৌবাজার হয়ে চানপুর সারোয়ার স্কুল রোড পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় ১০০ থেকে ১৫০ জন কিশোরের একটি সংঘবদ্ধ দল বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ মহড়া দেয়। তাদের হাতে রামদা, চাপাতি ও লাঠিসোঁটা দেখা যায়। এ সময় গ্যাংটির সদস্যরা সড়কে প্রকাশ্যে দাপট দেখায়, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পরিস্থিতির কারণে অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগেই দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হন। এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নতুন নয়। এর আগেও একাধিকবার একই ধরনের ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, গ্যাংটির অনেক সদস্য স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী হতে পারে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। প্র

কুমিল্লায় ‘ক্রাইম সেটাপ’ নামে কিশোর গ্যাংয়ের আত্মপ্রকাশ, সশস্ত্র মহড়া
কুমিল্লা নগরীতে ‘ক্রাইম সেটাপ’ নামে একটি নতুন কিশোর গ্যাংয়ের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্যাংটির সদস্যরা গোমতী নদীর তীরবর্তী এলাকায় সশস্ত্র মহড়া চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১ মে) বিকেলে ভাটারপুকুর, কাপ্তানবাজার, বৌবাজার হয়ে চানপুর সারোয়ার স্কুল রোড পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় ১০০ থেকে ১৫০ জন কিশোরের একটি সংঘবদ্ধ দল বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ মহড়া দেয়। তাদের হাতে রামদা, চাপাতি ও লাঠিসোঁটা দেখা যায়। এ সময় গ্যাংটির সদস্যরা সড়কে প্রকাশ্যে দাপট দেখায়, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পরিস্থিতির কারণে অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগেই দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হন। এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নতুন নয়। এর আগেও একাধিকবার একই ধরনের ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, গ্যাংটির অনেক সদস্য স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী হতে পারে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তবে এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার কালবেলাকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত এবং শুক্রবারও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow