কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষের ঘটনায় গেইটম্যান হেলাল র‌্যাবের হাতে আটক

কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গেইটম্যান মো. হেলালকে বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১ ও সিপিসি-২ এর সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে জেলার বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল এলাকা থেকে তাকে আটক করে। আটককৃত আসামি মো. হেলাল (৪১) জেলার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউপির কোদালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। র‌্যাব সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-১১ ও সিপিসি-২ এর একটি আভিধানিক দল জেলার বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে হেলালকে গ্রেপ্তার করে। উল্লেখ্য, গত শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী মামুন স্পেশাল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। ট্রেনটি বাসটিকে ইঞ্জিনের মুখে ঠেলে প্রায় ৭০০ মিটার দূরের দৈয়ারা নামক স্থানে নিয়ে গিয়ে থামে। এ ঘটনায় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ ঘটনায় সাতজন পুরুষ, দুজন নারী ও তিনটি শিশুসহ মো

কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষের ঘটনায় গেইটম্যান হেলাল র‌্যাবের হাতে আটক

কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গেইটম্যান মো. হেলালকে বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১ ও সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে জেলার বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল এলাকা থেকে তাকে আটক করে। আটককৃত আসামি মো. হেলাল (৪১) জেলার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউপির কোদালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

র‌্যাব সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-১১ ও সিপিসি-২ এর একটি আভিধানিক দল জেলার বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে হেলালকে গ্রেপ্তার করে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী মামুন স্পেশাল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। ট্রেনটি বাসটিকে ইঞ্জিনের মুখে ঠেলে প্রায় ৭০০ মিটার দূরের দৈয়ারা নামক স্থানে নিয়ে গিয়ে থামে। এ ঘটনায় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ ঘটনায় সাতজন পুরুষ, দুজন নারী ও তিনটি শিশুসহ মোট ১২ জন নিহত হন। আহত হন বাসের চালকসহ অন্তত ১৫ জন। হতাহত ব্যক্তির সবাই বাসের যাত্রী ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-১১ ও সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক সাদমান ইবনে আালম জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দুর্ঘটনার সময় কর্তব্যরত গেটম্যান মো. হেলাল রেলক্রসিংয়ের গেট বন্ধ না করায় বাসটি রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের পর ট্রেনটি বাসটিকে টেনে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহত সোহেল রানার (৪৬) খালা শেফালী আক্তার বাদী হয়ে ২৩ মার্চ লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরো জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া হেলাল প্রাথমিকভাবে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow