কুমিল্লায় বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমদের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ
কুমিল্লা নগরীতে বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন ফল দোকানদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ও বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় আলেম ও সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে আলেমরা কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দিয়ে গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। তবে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। জানা গেছে, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ফল ব্যবসায়ীরা উপস্থিত আলেমদের গায়ে হাত তোলেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং উপস্থিত স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালান, তারপরও ফল ব্যবসায়ীরা তাদের গায়ে হাত তোলেন। হেফাজতে ইসলাম কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি মুফতি শামছুল ইসলাম জিলানী বলেন, মঙ্গলবার রাতে এশার নামাজের পর কুমিল্লা টমছমব্রিজে ফল কিনতে যান কুমিল্লা কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি আবুল হাসান (জাদীদ), নাযেমে তালীমাত মুফতি আবুল হাসান রাজাপুরী ও ক্বারী ইদ্রিস। তিনি আরও বলেন, এসময় সামান্য কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে একজন দোকানদার ক্ষিপ্ত হয়ে উলামাদের জঙ্গিসহ অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন
কুমিল্লা নগরীতে বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন ফল দোকানদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ও বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় আলেম ও সাধারণ মানুষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে আলেমরা কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দিয়ে গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। তবে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
জানা গেছে, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ফল ব্যবসায়ীরা উপস্থিত আলেমদের গায়ে হাত তোলেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং উপস্থিত স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালান, তারপরও ফল ব্যবসায়ীরা তাদের গায়ে হাত তোলেন।
হেফাজতে ইসলাম কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি মুফতি শামছুল ইসলাম জিলানী বলেন, মঙ্গলবার রাতে এশার নামাজের পর কুমিল্লা টমছমব্রিজে ফল কিনতে যান কুমিল্লা কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি আবুল হাসান (জাদীদ), নাযেমে তালীমাত মুফতি আবুল হাসান রাজাপুরী ও ক্বারী ইদ্রিস।
তিনি আরও বলেন, এসময় সামান্য কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে একজন দোকানদার ক্ষিপ্ত হয়ে উলামাদের জঙ্গিসহ অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন, তার সঙ্গে কয়েকজন দোকানদার এবং আশপাশের কয়েকজন মিলে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসা ও আশপাশের শতশত ছাত্র ও মুসল্লি ক্ষিপ্ত হয়ে টমছমব্রিজে অবস্থান নেন। সমবেত হতে থাকেন।
মুফতি শামছুল ইসলাম জিলানী বলেন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু খবর পেয়ে উপস্থিত হয়ে সকলকে শান্ত করেন এবং কোতোয়ালি থানার ওসিকে ফোন করে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের অনুরোধ করেন। কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুও মোবাইল ফোনে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রকিব হোসেন বলেন, অভিযান অব্যাহত আছে, কাউকে এখন পর্যন্ত আটক করা হয়নি।
কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আ. কুদ্দুস, কাসেমুল উলুমের মুহাদ্দিস মুফতি নাঈমুল ইসলাম, নিরবাস স্কুল অ্যান্ড মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আবুল বাশার, তরুণ উলামা পরিষদের মাওলানা জিয়া উদ্দীন গালিব, জাতীয়তাবাদী উলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা শাহজাহান, আল ফারুক লাইব্রেরির মাওলানা ইসহাকসহ মহানগরের আলেমরা কোতোয়ালি থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়ে আসেন। অন্যথায় পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনকে দায়ভার নিতে হবে বলেও জানান তারা।
What's Your Reaction?