কুমিল্লায় মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ২

কুমিল্লায় একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ঘোড়ামারা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল আলম শাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকার আশরাফুল ইসলাম আকাশ (৩২) এবং নগরীর রেসকোর্স এলাকার মো. শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে সানি (৪২)। শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে সানি ‘যতের মায়া’ নামে একটি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক এবং আশরাফুল ইসলাম আকাশ ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী।জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল আলম শাহ জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একটি চারতলা ভবনের মোবাইল টাওয়ারে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা একটি ব্যাগ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন ও আট রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ব্যবহার করে নিরাময়কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভয়ভীতি দেখানো হতো। শুধু তাই নয়, সেখানে মাদকাসক্তদের গাদাগাদি করে রাখা, নির্যাতন চালানো এবং টাকা

কুমিল্লায় মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ২

কুমিল্লায় একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ঘোড়ামারা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল আলম শাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকার আশরাফুল ইসলাম আকাশ (৩২) এবং নগরীর রেসকোর্স এলাকার মো. শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে সানি (৪২)। শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে সানি ‘যতের মায়া’ নামে একটি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক এবং আশরাফুল ইসলাম আকাশ ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী।

জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল আলম শাহ জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একটি চারতলা ভবনের মোবাইল টাওয়ারে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা একটি ব্যাগ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন ও আট রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ব্যবহার করে নিরাময়কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভয়ভীতি দেখানো হতো। শুধু তাই নয়, সেখানে মাদকাসক্তদের গাদাগাদি করে রাখা, নির্যাতন চালানো এবং টাকার বিনিময়ে সুস্থ মানুষদের ধরে এনে চিকিৎসার নামে আটকে রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow