কুয়েত দূতাবাসে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন

কুয়েত প্রতিনিধি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ‌‘অমর একুশে-মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন করেছে। অনুষ্ঠানে কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের প্রতিনিধিত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে একে একে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতাও পালন করা হয়। রাষ্ট্রদূতের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণীসমূহ পাঠ করে শোনানো হয়। এছাড়াও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কোর সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতির ভিডিও বার্তা প্রদর

কুয়েত দূতাবাসে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন

কুয়েত প্রতিনিধি

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ‌‘অমর একুশে-মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন করেছে।

অনুষ্ঠানে কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের প্রতিনিধিত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

এরপর রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে একে একে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতাও পালন করা হয়।

কুয়েত দূতাবাসে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন

রাষ্ট্রদূতের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণীসমূহ পাঠ করে শোনানো হয়। এছাড়াও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কোর সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতির ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনা সভার মূলবক্তব্যে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের চরম আত্মত্যাগের বিষয়টি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন।

এ সময় তিনি ভাষা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসেবে প্রবাসে নিজ সন্তানদের মধ্যে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগ সঞ্চারিত করার ক্ষেত্রে প্রবাসী সমাজের দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন।

ভাষা শহীদের আত্মার মাগফেরাত ও বাংলাদেশ সরকার এবং আপামর জনগণের সর্বাঙ্গীণ সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

এমআরএম/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow