কুলাউড়ায় ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ, ৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির গেজেট বাতিল, ভূমির মালিকানা নিশ্চিতকরণ এবং চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (সিবিএ) নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও কর্মবিরতি পালন করেছেন চা-শ্রমিকরা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার কালিটি চা-বাগানে চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশের অংশ হিসেবে শ্রমিকরা এক ঘণ্টার কর্মবিরতিও পালন করেন। কালিটি চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিমা অলমিকের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণদাস অলমিকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক এস এম শুভ, শ্রমিকনেতা দয়াল অলমিক, বিশ্বজিত দাস, কার্তিক নাইডু ও সীতারাম অলমিকসহ অন্যরা। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার অত্যন্ত অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অমানবিক। প্রতি বছর মাত্র ৮ টাকা করে মজুরি বৃদ্ধি শ্রমিকদের সঙ্গে তামাশা ছাড়া কিছু নয়। বর্তমান ১৮৭ টাকা দৈনিক মজুরিতে জীবনধারণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই সম্মানজনক জীবনের জন্য ন্যায্য মজুরি এখন প্রতিটি চা-শ্রমিকের প্রাণের দাবি। বক

কুলাউড়ায় ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ, ৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির গেজেট বাতিল, ভূমির মালিকানা নিশ্চিতকরণ এবং চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (সিবিএ) নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও কর্মবিরতি পালন করেছেন চা-শ্রমিকরা।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার কালিটি চা-বাগানে চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশের অংশ হিসেবে শ্রমিকরা এক ঘণ্টার কর্মবিরতিও পালন করেন।

কালিটি চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিমা অলমিকের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণদাস অলমিকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক এস এম শুভ, শ্রমিকনেতা দয়াল অলমিক, বিশ্বজিত দাস, কার্তিক নাইডু ও সীতারাম অলমিকসহ অন্যরা।

কুলাউড়ায় ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার অত্যন্ত অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অমানবিক। প্রতি বছর মাত্র ৮ টাকা করে মজুরি বৃদ্ধি শ্রমিকদের সঙ্গে তামাশা ছাড়া কিছু নয়। বর্তমান ১৮৭ টাকা দৈনিক মজুরিতে জীবনধারণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই সম্মানজনক জীবনের জন্য ন্যায্য মজুরি এখন প্রতিটি চা-শ্রমিকের প্রাণের দাবি।

বক্তারা আরও বলেন, এ ভূখণ্ডে প্রায় ২০০ বছর ধরে বসবাস করলেও চা-শ্রমিকরা এখনও ভূমিহীন। ভূমির মালিকানা না থাকায় তারা নাগরিক নানা সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে চা-শ্রমিকদের জন্য ভূমির মালিকানা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।

সমাবেশ শেষে চা শ্রমিকরা একটি মিছিল বের করে বাগানের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

মাহিদুল ইসলাম/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow