কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি-সম্পাদককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা
কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি খ ম মোখলেছুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে জেলা কমিটির জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) কুষ্টিয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আব্দুল কুদ্দুস লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি জেলা শ্রমিক দলের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কমিটির নেতারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা, বালু মহাল ও ঘাট দখল, এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে টেন্ডারবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরেন। এছাড়া সংগঠনের মাসিক চাঁদা আত্মসাৎ এবং বিগত সরকারের দোসরদের অর্থের বিনিময়ে দলে টানার মতো গুরুতর অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, রাষ্ট্র ও সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ব্যক্তিদের সংগঠনের কোনো দায়িত্বশীল পদে থাকার নৈতিক অধিকার নেই। সভায় উপস্থিত সকলের
কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি খ ম মোখলেছুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে জেলা কমিটির জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) কুষ্টিয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আব্দুল কুদ্দুস লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি জেলা শ্রমিক দলের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কমিটির নেতারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা, বালু মহাল ও ঘাট দখল, এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে টেন্ডারবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরেন। এছাড়া সংগঠনের মাসিক চাঁদা আত্মসাৎ এবং বিগত সরকারের দোসরদের অর্থের বিনিময়ে দলে টানার মতো গুরুতর অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, রাষ্ট্র ও সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ব্যক্তিদের সংগঠনের কোনো দায়িত্বশীল পদে থাকার নৈতিক অধিকার নেই। সভায় উপস্থিত সকলের আলোচনার ভিত্তিতে তাদের ওপর অনাস্থা জ্ঞাপন করা হয়েছে। আজ থেকে খ.ম. মোখলেছুর রহমান ও মিজানুর রহমান কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক দলে অবাঞ্ছিত।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নিকট সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। সাধারণ শ্রমিক ও নেতাকর্মীদের এই দুই ব্যক্তির সঙ্গে কোনো প্রকার সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিতে জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এবং দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সত্য ও সঠিক তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের সামনে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোখলেসুর রহমান জানান, সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে করা চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজিসহ নানা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। আমরা যা করেছি তা বৈধভাবেই করেছি।
অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে যারা অবাঞ্ছিত করেছে তাদের খোঁজ নিয়ে দেখেন, এদের মধ্যে অনেকে আছে তারা সংগঠনের কেউ নয়। কেন্দ্র আমাদের সঙ্গে আছে এবং কেন্দ্র আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ হয়েছে বলে আমার জানা নেই।
সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি সাইফ উদ্দিন আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক হাফিজ উদ্দিনসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
What's Your Reaction?