কুষ্টিয়ায় পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার, বাস চলাচল স্বাভাবিক
কুষ্টিয়ায় পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপারের সঙ্গে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রায় ৩০ ঘন্টা পর জেলার বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। বৈঠক শেষে কুষ্টিয়া জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহাবুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুই দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেন পরিবহন শ্রমিকরা। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে কুষ্টিয়ার অভ্যন্তরীণ সব রুটে মালিক গ্রুপ ও মালিক সমিতির যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কর্মবিরতির কারণে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া-প্রাগপুর রুটে বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ছিল। এছাড়া কুষ্টিয়া-খুলনা-যশোর, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া-বরিশাল, কুষ্টিয়া-রাজশাহী এবং কুষ্টিয়া-পাবনা-সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন রুটে মালিক গ্রুপ ও মালিক সমিতির কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তবে ধর্মঘট চলাকালে ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠকে
কুষ্টিয়ায় পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপারের সঙ্গে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রায় ৩০ ঘন্টা পর জেলার বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।
বৈঠক শেষে কুষ্টিয়া জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহাবুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে দুই দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেন পরিবহন শ্রমিকরা। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে কুষ্টিয়ার অভ্যন্তরীণ সব রুটে মালিক গ্রুপ ও মালিক সমিতির যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কর্মবিরতির কারণে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া-প্রাগপুর রুটে বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ছিল।
এছাড়া কুষ্টিয়া-খুলনা-যশোর, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া-বরিশাল, কুষ্টিয়া-রাজশাহী এবং কুষ্টিয়া-পাবনা-সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন রুটে মালিক গ্রুপ ও মালিক সমিতির কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তবে ধর্মঘট চলাকালে ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠকে শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা শেষে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান সংশ্লিষ্ট নেতারা। কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণার পর শনিবার দুপুর থেকেই জেলার বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, পুলিশ সুপার আমাদেরকে ডেকেছিলেন। আমাদের কিছু দাবি উত্থাপন করলে তার মধ্যস্থতায় সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো মেনে নেয়। উভয়ের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ায় আমার আমাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছি।
What's Your Reaction?