কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ হত্যা, মামলার বাইরে থেকেও গ্রেপ্তার ২ যুবক
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘পীর’ শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমান (৫৭) হত্যা মামলায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার ফিলিপনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের নাহারুল মন্ডলের ছেলে বিপ্লব হোসেন (২৬) এবং একই এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে আলিফ ইসলাম (২৩)।
পীরের দরবারে হামলার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করা হয়।
দৌলতপুর থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে বিপ্লব ও আলিফকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও মামলার এজাহারে তাদের নাম ছিল না, তবুও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার দুপুরে গ্রেপ্তার দুই যুবককে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে, পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে গত ১১ এপ্রিল দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘পীর’ শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমান (৫৭) হত্যা মামলায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার ফিলিপনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের নাহারুল মন্ডলের ছেলে বিপ্লব হোসেন (২৬) এবং একই এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে আলিফ ইসলাম (২৩)।
পীরের দরবারে হামলার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করা হয়।
দৌলতপুর থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে বিপ্লব ও আলিফকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও মামলার এজাহারে তাদের নাম ছিল না, তবুও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার দুপুরে গ্রেপ্তার দুই যুবককে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে, পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে গত ১১ এপ্রিল দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামে শতাধিক বিক্ষুব্ধ জনতা পীর শামীম জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে কক্ষ থেকে টেনে বের করে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ দোতলা থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। হামলার পর বিক্ষুব্ধরা দরবারে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং ব্যাপক লুটপাট চালায়।
ঘটনার তিন দিন পর, ১৩ এপ্রিল রাতে নিহতের বড় ভাই ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, ঘটনার ১৫ দিন পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এই দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হলো।