কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশি গুরুতর আহত
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে বিমানবন্দরের টার্মিনাল–১ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। ড্রোন হামলায় কুয়েত বিমানবন্দরে কর্মরত এক বাংলাদেশি নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তিনি স্থানীয় ওয়ায়েল আল নসিব কোম্পানিতে এয়ারপোর্ট ক্লিনার হিসেবে কর্মরত আছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যাত্রী ও কর্মচারীদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এছাড়া, এ বিষয়ে যেকোনো নতুন অগ্রগতি সম্পর্কে অফিশিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে। কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী একজন বাংলাদেশি কর্মী হামলায় আহত হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। কুয়েতের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অফিশিয়াল মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজি জানান, একটি ড্রোন বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে। হামলার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পূর্বনির্ধারিত জরুরি প্রক্রিয়া কার্যকর করে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে বিমানবন্দরের টার্মিনাল–১ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
ড্রোন হামলায় কুয়েত বিমানবন্দরে কর্মরত এক বাংলাদেশি নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তিনি স্থানীয় ওয়ায়েল আল নসিব কোম্পানিতে এয়ারপোর্ট ক্লিনার হিসেবে কর্মরত আছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যাত্রী ও কর্মচারীদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এছাড়া, এ বিষয়ে যেকোনো নতুন অগ্রগতি সম্পর্কে অফিশিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে।
কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী একজন বাংলাদেশি কর্মী হামলায় আহত হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।
কুয়েতের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অফিশিয়াল মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজি জানান, একটি ড্রোন বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে। হামলার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পূর্বনির্ধারিত জরুরি প্রক্রিয়া কার্যকর করে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পুরো এলাকা নিরাপদ ঘোষণা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা মান বজায় রেখে ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ নিরূপণ, প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনর্গঠনের কাজ চলছে।
What's Your Reaction?