কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাক্ষাৎ
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রফেসর ড. মুহ. রাশেদুল ইসলাম, উপাচার্য, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে কৃষি খাতের উন্নয়ন ও গবেষণাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমসহ সরকারের কৃষিবান্ধব বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা সহজেই সরকারি ভর্তুকি, প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করতে পারবেন। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় দেশের কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়ন, গবেষণা সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং কৃষক কল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কৃষিমন্ত্রী বিশেষভাবে উত্তরবঙ্গের বিস্তৃত চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নদীভাঙন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ চরাঞ্চলে টেকসই অর্গানিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গবেষণাভিত্তি
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রফেসর ড. মুহ. রাশেদুল ইসলাম, উপাচার্য, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে কৃষি খাতের উন্নয়ন ও গবেষণাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমসহ সরকারের কৃষিবান্ধব বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা সহজেই সরকারি ভর্তুকি, প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করতে পারবেন। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় দেশের কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়ন, গবেষণা সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং কৃষক কল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কৃষিমন্ত্রী বিশেষভাবে উত্তরবঙ্গের বিস্তৃত চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নদীভাঙন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ চরাঞ্চলে টেকসই অর্গানিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।
পাশাপাশি লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতা সহনশীল ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির সম্প্রসারণ, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং কৃষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদারে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান মন্ত্রী।