কেআইবিতে জুনিয়রের ঘুসিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা

রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) এক সিনিয়র কর্মকর্তাকে ঘুসি মেরেছেন একই অফিসের আরেকজন জুনিয়র কর্মকর্তা। এ ঘটনায় কৃষি প্রশাসনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিচার চেয়ে মহাপরিচালকের কাছে আবেদন দিয়েছেন ভুক্তভোগী। সোমবার (৮ জুন) রাতের এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডিএইয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং) ও ২৯তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারের কর্মকর্তা বনি আমিন খান। তাকে ঘুসি মারেন ডিএইয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (প্রশাসন-২) এবং ৩১তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারের কর্মকর্তা এ এম মাসুম বিল্লাহ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত পৌনে ৮ টার দিকে কেআইবি চত্বরে বনি আমিন খানের সঙ্গে এ এম মাসুম বিল্লাহর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মাসুম বনি আমিনের মুখে একাধিক ঘুসি মারেন। এতে বনি আমিন খানের মুখমণ্ডল ফুলে যায় এবং বাম চোখের নিচে আঘাত লেগে রক্তপাত হয়। পরে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কেআইবির সদস্যরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভুক্তভোগী বনি আমিন খান বলেন, কেআইবি চত্বরে হামলার শিকার হয়েছি। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় যাই। বিষয়টি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অবহিত

কেআইবিতে জুনিয়রের ঘুসিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা
রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) এক সিনিয়র কর্মকর্তাকে ঘুসি মেরেছেন একই অফিসের আরেকজন জুনিয়র কর্মকর্তা। এ ঘটনায় কৃষি প্রশাসনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিচার চেয়ে মহাপরিচালকের কাছে আবেদন দিয়েছেন ভুক্তভোগী। সোমবার (৮ জুন) রাতের এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডিএইয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং) ও ২৯তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারের কর্মকর্তা বনি আমিন খান। তাকে ঘুসি মারেন ডিএইয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (প্রশাসন-২) এবং ৩১তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারের কর্মকর্তা এ এম মাসুম বিল্লাহ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত পৌনে ৮ টার দিকে কেআইবি চত্বরে বনি আমিন খানের সঙ্গে এ এম মাসুম বিল্লাহর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মাসুম বনি আমিনের মুখে একাধিক ঘুসি মারেন। এতে বনি আমিন খানের মুখমণ্ডল ফুলে যায় এবং বাম চোখের নিচে আঘাত লেগে রক্তপাত হয়। পরে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কেআইবির সদস্যরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভুক্তভোগী বনি আমিন খান বলেন, কেআইবি চত্বরে হামলার শিকার হয়েছি। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় যাই। বিষয়টি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অবহিত করেছি এবং ঘটনার বিচার চেয়ে লিখিত আবেদন করেছি। অন্যদিকে এ এম মাসুম বিল্লাহ ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। ঘটনার পরপরই সেখানে উপস্থিত এ্যাব নেতাদের সামনে আমি স্যারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি। আমি তার কাছে ক্ষমা চেয়েছি। খামারবাড়ি কেন্দ্রিক কৃষি প্রশাসনের একাধিক সূত্র বলছে, দুই কর্মকর্তার মধ্যে দীর্ঘদিনের মতবিরোধ কেন্দ্র চলছিল। এর জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শারীরিক হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে অভিযুক্ত এ এম মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তার বিরুদ্ধে চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow