কেন ১০ বছর হাসা বন্ধ রেখেছিলেন নেহা?

বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায় তারকাদের জীবন যতটা রঙিন ও ঝলমলে মনে হয়, বাস্তবতা অনেক সময় ততটা সহজ নয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে পাওয়া একটি মন্তব্য যে একজন শিল্পীর আত্মবিশ্বাসে কতটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে, তারই উদাহরণ তুলে ধরলেন অভিনেত্রী ও উপস্থাপক নেহা ধুপিয়া। সম্প্রতি অভিনেত্রী হুমা কুরেশির সঙ্গে এক আড্ডায় নিজের জীবনের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন নেহা। তিনি জানান, এক কাস্টিং ডিরেক্টরের মন্তব্যের কারণে প্রায় ১০ বছর ক্যামেরার সামনে হাসতে পারেননি। নেহার ভাষ্য, অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে একটি অডিশনের সময় এক নামী কাস্টিং ডিরেক্টর তাকে বলেছিলেন, ‘খবরদার, হাসবে না! তোমার হাসিটা খুব বেশি চওড়া।’ সেই মন্তব্য যে তার মনে গভীরভাবে দাগ কেটেছিল, তা স্বীকার করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘ওই মন্তব্যটা হয়তো তার কাছে খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু আমার মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছিল। আমি নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করি।’ একটি মন্তব্যই ধীরে ধীরে তার আত্মবিশ্বাসকে নড়বড়ে করে দেয়। নেহা জানান, এরপর দীর্ঘ সময় তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে তার হাসির মধ্যে কোনো না কোনো খুঁত রয়েছে। তার কথায়, ‘প্রায় ১০ বছর আমি অডিশনে, ফটোশুটে

কেন ১০ বছর হাসা বন্ধ রেখেছিলেন নেহা?

বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায় তারকাদের জীবন যতটা রঙিন ও ঝলমলে মনে হয়, বাস্তবতা অনেক সময় ততটা সহজ নয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে পাওয়া একটি মন্তব্য যে একজন শিল্পীর আত্মবিশ্বাসে কতটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে, তারই উদাহরণ তুলে ধরলেন অভিনেত্রী ও উপস্থাপক নেহা ধুপিয়া।

সম্প্রতি অভিনেত্রী হুমা কুরেশির সঙ্গে এক আড্ডায় নিজের জীবনের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন নেহা। তিনি জানান, এক কাস্টিং ডিরেক্টরের মন্তব্যের কারণে প্রায় ১০ বছর ক্যামেরার সামনে হাসতে পারেননি।

নেহার ভাষ্য, অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে একটি অডিশনের সময় এক নামী কাস্টিং ডিরেক্টর তাকে বলেছিলেন, ‘খবরদার, হাসবে না! তোমার হাসিটা খুব বেশি চওড়া।’

সেই মন্তব্য যে তার মনে গভীরভাবে দাগ কেটেছিল, তা স্বীকার করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘ওই মন্তব্যটা হয়তো তার কাছে খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু আমার মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছিল। আমি নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করি।’

একটি মন্তব্যই ধীরে ধীরে তার আত্মবিশ্বাসকে নড়বড়ে করে দেয়। নেহা জানান, এরপর দীর্ঘ সময় তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে তার হাসির মধ্যে কোনো না কোনো খুঁত রয়েছে।

তার কথায়, ‘প্রায় ১০ বছর আমি অডিশনে, ফটোশুটে এমনকি ক্যামেরার সামনেও হাসা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। আমার মনে হতো, আমার হাসিতে হয়তো এমন কিছু আছে যা মানুষ পছন্দ করবে না।’

তবে সময়ের সঙ্গে সেই মানসিক বাধা কাটিয়ে উঠেছেন নেহা। বর্তমানে তিনি নিজের প্রাণখোলা হাসি, রসবোধ এবং সাবলীল উপস্থাপনার জন্য দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

কেন ১০ বছর হাসা বন্ধ রেখেছিলেন নেহা?

সম্প্রতি স্বামী অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে নতুন চ্যাট শো ‘ডাবল ডেট’ নিয়ে হাজির হয়েছেন নেহা। এরই মধ্যে শোটির ট্রেলার দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। অনুষ্ঠানটিতে বলিউডের তারকা দম্পতি ও বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা, মজার খেলা এবং নানা বিনোদনমূলক আয়োজন দেখা যাবে।

শোটি প্রসঙ্গে নেহা ও অঙ্গদ জানান, তারা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চেয়েছেন যেখানে অতিথিরা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে নিজেদের গল্প শেয়ার করতে পারবেন। এখানে থাকবে না কোনো বিতর্কিত বা অস্বস্তিকর প্রশ্ন; বরং থাকবে আনন্দ, হাসি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

আরও পড়ুন:
যে কারণে আলোচনায় অক্ষয়ের নতুন সিনেমা ‘সামুক’
সোনিকে বিয়ে করতে ধর্ম বদলেছিলেন মহেশ ভাট, জানালেন পূজা

নেহা ধুপিয়ার অভিজ্ঞতা আবারও মনে করিয়ে দেয়, গ্ল্যামার জগতের চাকচিক্যের আড়ালে শিল্পীদেরও নানা মানসিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তবে নেতিবাচক মন্তব্যকে পেছনে ফেলে আজ তিনি যেভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে চলেছেন, তা অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণার।

এমএমএফ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow