কেপ ভার্দে ফুটবলারদের সঙ্গে ছবি তুলে মেসির দুষ্টুমি
মিয়ামিতে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ৩-২ গোলের কঠিন জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর মাঠের বাইরেও দারুণ এক মুহূর্ত উপহার দিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে কেপ ভার্দের কয়েকজন ফুটবলার অপেক্ষা করছিলেন শুধু মেসির সঙ্গে একটি ছবি তোলার জন্য। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার কাউকে হতাশ করেননি। সবার সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তুলে স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেন তিনি। পরে এ নিয়ে মজার মন্তব্যও করেন মেসি। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘ওরা আমার কাছে জার্সি চেয়েছে, ছবি তুলেছে, সবই করেছে... অথচ মাঠের ভেতরে আমাকে তো লাথিই মারে!’ কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচেও তিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার প্রধান ভরসা। তিনি প্রথম গোলটি করেন, যা ছিল বিশ্বকাপে তার ২০তম গোল। এছাড়া লিসান্দ্রো মার্তিনেজের গোল এবং আত্মঘাতী গোলের পেছনেও মেসির গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। সেই পারফরম্যান্সেই ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট নন মেসি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, ‘আমরা জানতাম ম্যাচটা খুব কঠিন হবে। স্পেন ও উরুগুয়ের বিপক্ষে এ দলটা তো আর এমনি এমনি অপরাজিত থাকেনি।
মিয়ামিতে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ৩-২ গোলের কঠিন জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর মাঠের বাইরেও দারুণ এক মুহূর্ত উপহার দিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে কেপ ভার্দের কয়েকজন ফুটবলার অপেক্ষা করছিলেন শুধু মেসির সঙ্গে একটি ছবি তোলার জন্য। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার কাউকে হতাশ করেননি। সবার সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তুলে স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেন তিনি।
পরে এ নিয়ে মজার মন্তব্যও করেন মেসি। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘ওরা আমার কাছে জার্সি চেয়েছে, ছবি তুলেছে, সবই করেছে... অথচ মাঠের ভেতরে আমাকে তো লাথিই মারে!’
কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচেও তিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার প্রধান ভরসা। তিনি প্রথম গোলটি করেন, যা ছিল বিশ্বকাপে তার ২০তম গোল। এছাড়া লিসান্দ্রো মার্তিনেজের গোল এবং আত্মঘাতী গোলের পেছনেও মেসির গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। সেই পারফরম্যান্সেই ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তবে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট নন মেসি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, ‘আমরা জানতাম ম্যাচটা খুব কঠিন হবে। স্পেন ও উরুগুয়ের বিপক্ষে এ দলটা তো আর এমনি এমনি অপরাজিত থাকেনি। আমরা সবচেয়ে কঠিন কাজটা করেছি, যেটা ছিল প্রথম গোলটি করা। এই দল অনেক দিন ধরেই প্রমাণ করে আসছে যে তারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে। আজ আমরা সেট-পিসের গুরুত্ব কাজে লাগাতে পেরেছি। আগে যেটা থেকে খুব বেশি গোল করতে পারিনি। এমন ম্যাচে সেট-পিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দলে ভালো হেডার আছে, যারা ভালো খেলতে পারে। আমরা অনেক দিন ধরেই আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই এগুলো নিয়ে কাজ করছি। এমন টুর্নামেন্টে এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি আরও বলেন, ‘ভেবেছিলাম, প্রথম গোলের পর নিজেদের চেনা ছন্দে ফিরব এবং চাপমুক্ত হয়ে খেলব। কিন্তু হয়েছে ঠিক উল্টোটা। আমরা বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি, রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ি এবং ওদের ওপর ঠিকঠাক চাপ সৃষ্টি করতে পারিনি। ওরা নিজেদের শক্তির জায়গায় খেলে গোল শোধ করে দেয়। আমরা জানতাম কাজটা কঠিন হবে। এটা নকআউট পর্বের টুর্নামেন্ট, এখানে কেউ আপনাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না।’
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে উঠে এবার আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ মিশর। কেপ ভার্দের বিপক্ষে জয় পেলেও দলীয় পারফরমেন্স হতাশ করেছে আর্জেন্টিনা ভক্তদের। মিসরের বিপক্ষে দল কেমন করে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
টিটিটি/এমএমআর
What's Your Reaction?