কেমন হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্টের উইকেট? যা বললেন কিউরেটর
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সিরিজ শুরুর আগে আলোচনায় এসেছে ডারউইনের উইকেট। কেমন হবে এই উইকেট, ব্যাটার-বোলারদের জন্য কতটা সহায়ক হবে- এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। তবে ভেন্যুর কিউরেটর জ্যাক পি হেডের মতে, উইকেটে হঠাৎ করে বড় ধরনের পরিবর্তন চান না তারা। বরং ম্যাচজুড়ে ধারাবাহিক আচরণ করবে এমন একটি পিচ তৈরির লক্ষ্য তাদের। যেখানে ব্যাটাররা রান করার সুযোগ পাবেন, আবার বোলারদেরও পরিশ্রমের পুরস্কার মিলবে। অস্ট্রেলিয়ার এই কিউরেটর বলেন, ‘প্রতিপক্ষ বাংলাদেশও বেশ অভিজ্ঞ দল। তাই আমরা কনসিস্টেন্ট পিচ চাই যেটা খেলার জন্য ভালো হবে। আমরা সব কিছু নিয়ে গর্বিত। ছেলেরা এখানে আছে কয়েকদিন হলো। ভেন্যুটারও ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। এখানে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ভালো সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। আমাদের জন্য অনেক গৌরবের ব্যাপার।’ চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে উইকেটের চরিত্র কিছুটা কঠিন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে শুরু থেকেই পিচের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানান কিউরেটর। হেড বলেন, ‘চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে উইকেট চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতেই পারে। তবে আমরা কনস
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সিরিজ শুরুর আগে আলোচনায় এসেছে ডারউইনের উইকেট। কেমন হবে এই উইকেট, ব্যাটার-বোলারদের জন্য কতটা সহায়ক হবে- এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
তবে ভেন্যুর কিউরেটর জ্যাক পি হেডের মতে, উইকেটে হঠাৎ করে বড় ধরনের পরিবর্তন চান না তারা। বরং ম্যাচজুড়ে ধারাবাহিক আচরণ করবে এমন একটি পিচ তৈরির লক্ষ্য তাদের। যেখানে ব্যাটাররা রান করার সুযোগ পাবেন, আবার বোলারদেরও পরিশ্রমের পুরস্কার মিলবে।
অস্ট্রেলিয়ার এই কিউরেটর বলেন, ‘প্রতিপক্ষ বাংলাদেশও বেশ অভিজ্ঞ দল। তাই আমরা কনসিস্টেন্ট পিচ চাই যেটা খেলার জন্য ভালো হবে। আমরা সব কিছু নিয়ে গর্বিত। ছেলেরা এখানে আছে কয়েকদিন হলো। ভেন্যুটারও ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। এখানে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ভালো সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। আমাদের জন্য অনেক গৌরবের ব্যাপার।’
চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে উইকেটের চরিত্র কিছুটা কঠিন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে শুরু থেকেই পিচের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানান কিউরেটর।
হেড বলেন, ‘চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে উইকেট চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতেই পারে। তবে আমরা কনসিস্টেন্ট পিচ তৈরির চেষ্টাই করেছি। পিচে এডজাস্টমেন্ট জরুরি। টিপিক্যাল অস্ট্রেলিয়ান পিচ বলতে যা বোঝায়, আসলে দেশের সব পিচ তেমনই আচরণ করে। তাই এখানেও ব্যতিক্রম হবে না। আমি আশা করছি কনসিস্টেন্ট গুড ব্যাটিং উইকেট থাকবে। বোলাররা পরিশ্রমের সুফল পাবে।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট আয়োজনের জন্য উইকেট তৈরিতে কোনো বাড়তি চাপ অনুভব করেননি বলেও জানিয়েছেন তিনি। নিজের কাজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে জানান এই কিউরেটর।
হেডের ভাষায়, ‘না, কোনো চাপ অনুভব করিনি। যেভাবে করলে ভালো হবে, সেভাবেই আমি নিজের সেরাটা দিয়েছি। এখানে খেলা হচ্ছে, এটা বাস্তবায়ন করার পেছনে অনেক উচ্ছ্বাস-উল্লাস জড়িত। যা নিয়ন্ত্রণে নেই তা নিয়ে চাপ অনুভব করে লাভ নেই। আমরা আমাদের সম্ভাব্য সেরা পিচই বানিয়েছি।’
ডারউইনে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট আয়োজনের জন্য ভেন্যুর সুযোগ-সুবিধা নিয়েও সন্তুষ্ট কিউরেটর। তার মতে, এখানকার পরিবেশ ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের কাজ করার জন্য ইতিবাচক।
তিনি বলেন, ‘সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে আমরা এমন একটা পরিবেশ গড়ে তুলেছি যে সবাই এখানে কাজ করতে মুখিয়ে থাকে। তাই অবশ্যই আপনি এখানে হাই লেভেল ক্রিকেট আয়োজন করতে চাইবেন, যা আমরা ধারাবাহিকভাবেই করতে চাই।’
এসকেডি/আইএইচএস/
What's Your Reaction?