কেরানীগঞ্জে আগুনে নিহত ৬: রিমান্ড শেষে কারাগারে ইমান উল্লাহ

কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার মো. ইমান উল্লাহকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিচারক তাজুল ইসলাম সোহাগ শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিন ইমানকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম। শুনানি শেষে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ৪ এপ্রিল দুপুরে কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় ‘মেসার্স এসার গ্যাস প্রো’ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কারখানায় মজুত দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আরও পড়ুনকেরানীগঞ্জে কারখানার আগুনে নিহত বেড়ে ৬ তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ইমান উল্লাহ এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। তার নেতৃত্বে অন্য সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে কারখানাটি চালিয়ে আসছিল। এতে জনবহুল এলাকায় বড় ধরনের বিপদ সৃষ্টি হয়েছিল। কারখানায় ৫০–৬০ জন শ্রমিক কাজ করতেন, যার মধ্যে নারী ও শিশুও ছ

কেরানীগঞ্জে আগুনে নিহত ৬: রিমান্ড শেষে কারাগারে ইমান উল্লাহ

কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার মো. ইমান উল্লাহকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিচারক তাজুল ইসলাম সোহাগ শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিন ইমানকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম। শুনানি শেষে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ৪ এপ্রিল দুপুরে কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় ‘মেসার্স এসার গ্যাস প্রো’ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কারখানায় মজুত দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন
কেরানীগঞ্জে কারখানার আগুনে নিহত বেড়ে ৬

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ইমান উল্লাহ এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। তার নেতৃত্বে অন্য সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে কারখানাটি চালিয়ে আসছিল। এতে জনবহুল এলাকায় বড় ধরনের বিপদ সৃষ্টি হয়েছিল।

কারখানায় ৫০–৬০ জন শ্রমিক কাজ করতেন, যার মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন। পূর্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানাটি বন্ধ ও সিলগালা করলেও সংশ্লিষ্টরা গোপনে কার্যক্রম চালিয়ে আসেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন কারখানার মালিক আকরাম উল্লাহ আকরাম ও তার ছেলে আহনাফ আকিফ আকরাম। গত রোববার (৫ এপ্রিল) ইমান উল্লাহকে গ্রেফতার করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ।

এমডিএএ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow