কৌশলগত মজুত থেকে ১৭ কোটির ব্যারেলেরও বেশি তেল ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধ কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহে ধাক্কা লাগায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে দাম কমানোর লক্ষ্যে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত থেকে ১৭২ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১১ মার্চ) মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এই তথ্য জানান। এর আগে সাংবাদিকরা যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কি কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত ব্যবহারের সীমা নিয়ে ভাবছেন, তখন ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন সেখান থেকে ‘কিছুটা কমিয়ে’ ব্যবহার করবে। এক বিবৃতিতে জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আগামী এক বছরের মধ্যে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল সংগ্রহের ব্যবস্থা করেছে, যার মাধ্যমে কৌশলগত মজুত থেকে যে পরিমাণ তেল ছাড়া হবে তার চেয়েও বেশি পরিমাণ মজুত পুনরায় পূরণ করা সম্ভব হবে। রাইট বলেন, এটি আসলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সদস্য ৩২টি দেশের সমন্বয়ে নেওয়া একটি বৃহত্তর সিদ্ধান্তের অংশ। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোট ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে দেশগুলো। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান
ইরান যুদ্ধ কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহে ধাক্কা লাগায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে দাম কমানোর লক্ষ্যে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত থেকে ১৭২ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১১ মার্চ) মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এই তথ্য জানান।
এর আগে সাংবাদিকরা যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কি কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত ব্যবহারের সীমা নিয়ে ভাবছেন, তখন ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন সেখান থেকে ‘কিছুটা কমিয়ে’ ব্যবহার করবে।
এক বিবৃতিতে জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আগামী এক বছরের মধ্যে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল সংগ্রহের ব্যবস্থা করেছে, যার মাধ্যমে কৌশলগত মজুত থেকে যে পরিমাণ তেল ছাড়া হবে তার চেয়েও বেশি পরিমাণ মজুত পুনরায় পূরণ করা সম্ভব হবে।
রাইট বলেন, এটি আসলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সদস্য ৩২টি দেশের সমন্বয়ে নেওয়া একটি বৃহত্তর সিদ্ধান্তের অংশ। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোট ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে দেশগুলো।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর দিকে হামলা চালিয়েছে। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
এদিকে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা বন্ধ না হলে তারা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল পরিবহন বন্ধ করে দেবে। এরপর থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল অর্থাৎ জ্বালানি পরিবহন বলতে গেলে শূন্যের কোঠায় নেমে গেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং বিভিন্ন বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
এসএএইচ
What's Your Reaction?