ক্যানসারে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
ক্যানসারের মতো মরণব্যাধীর সঙ্গে মাত্র এক মাসের লড়াই শেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন পুলিশ কনস্টেবল মিজানুর রহমান মিজান। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মিজানুর রহমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নারায়ণ শহর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল থানায় কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মিজানুর রহমান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হলে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে তার শরীরে শেষ পর্যায়ের ক্যানসার শনাক্ত হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও ক্যানসার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আরিফ হোসেন বলেন, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুতে জেলা পুল
ক্যানসারের মতো মরণব্যাধীর সঙ্গে মাত্র এক মাসের লড়াই শেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন পুলিশ কনস্টেবল মিজানুর রহমান মিজান।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মিজানুর রহমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নারায়ণ শহর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল থানায় কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মিজানুর রহমান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হলে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে তার শরীরে শেষ পর্যায়ের ক্যানসার শনাক্ত হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও ক্যানসার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আরিফ হোসেন বলেন, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এসপি স্যার একটি শোকবার্তা দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পুলিশ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টারস এর পক্ষ তার পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা করা হয়েছে।
What's Your Reaction?