ক্যামব্রিজের আলোচিত কনিষ্ঠতম কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপকের বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ
একাডেমিক যোগ্যতা নিয়ে নতুন তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হওয়ার পর ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেসন আরডে পদত্যাগ করেছেন। ২০২৩ সালে ৩৭ বছর বয়সে অধ্যাপক হয়ে তিনি ক্যামব্রিজের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। খবর সিএনএনের। বুধবার রাতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান আরডে। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে তার একাডেমিক কাজের বিরুদ্ধে প্লেজিয়ারিজমের অভিযোগ এবং খেলাধুলা ও তহবিল সংগ্রহের সাফল্য নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছিল। এক বিবৃতিতে আরডে বলেন, একাডেমিক জীবনে সমালোচনা স্বাভাবিক হলেও তিনি যে ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, তা কেবল একাডেমিক মতবিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধারাবাহিক অভিযোগ, জল্পনা ও জনসমক্ষে মন্তব্য তার এবং তার কাছের মানুষদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে বলেও জানান তিনি। তার বিবৃতিটি গুড ল’ প্রজেক্ট নামের একটি প্রচারাভিযানকারী সংগঠন প্রকাশ করে। সংগঠনটি গত মাসে সমালোচনা গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে আরডেকে সমর্থন দিয়ে আসছে। সংগঠনটির আগে প্রচারিত এক চিঠিতে দুই ডজনের বেশি শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিক স্বাক্ষর করেন। সেখানে প্লেজিয়ারিজমের অভিযোগকে আরডে ও প্রভাবশালী অবস্থানে থা
একাডেমিক যোগ্যতা নিয়ে নতুন তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হওয়ার পর ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেসন আরডে পদত্যাগ করেছেন। ২০২৩ সালে ৩৭ বছর বয়সে অধ্যাপক হয়ে তিনি ক্যামব্রিজের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। খবর সিএনএনের।
বুধবার রাতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান আরডে। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে তার একাডেমিক কাজের বিরুদ্ধে প্লেজিয়ারিজমের অভিযোগ এবং খেলাধুলা ও তহবিল সংগ্রহের সাফল্য নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছিল।
এক বিবৃতিতে আরডে বলেন, একাডেমিক জীবনে সমালোচনা স্বাভাবিক হলেও তিনি যে ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, তা কেবল একাডেমিক মতবিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধারাবাহিক অভিযোগ, জল্পনা ও জনসমক্ষে মন্তব্য তার এবং তার কাছের মানুষদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে বলেও জানান তিনি।
তার বিবৃতিটি গুড ল’ প্রজেক্ট নামের একটি প্রচারাভিযানকারী সংগঠন প্রকাশ করে। সংগঠনটি গত মাসে সমালোচনা গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে আরডেকে সমর্থন দিয়ে আসছে। সংগঠনটির আগে প্রচারিত এক চিঠিতে দুই ডজনের বেশি শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিক স্বাক্ষর করেন। সেখানে প্লেজিয়ারিজমের অভিযোগকে আরডে ও প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা অন্যান্য কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিদের দুর্বল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত ‘অপপ্রচার’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
ক্যামব্রিজে আরডের নিয়োগ তার ব্যক্তিগত সংগ্রামের গল্পের কারণেও ব্যাপক আলোচনায় আসে। তিনি জানিয়েছিলেন, ডিসলেক্সিয়া, বিকাশজনিত বিলম্ব ও অটিজমের কারণে ১১ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি কথা বলতে পারতেন না এবং কৈশোরের শেষভাগ পর্যন্ত পড়তে পারতেন না।
গত মাসে তার একাডেমিক যোগ্যতা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেন নাথান কোফনাস। তিনি একসময় ক্যামব্রিজে দর্শনের গবেষক ছিলেন।
এরপর ২৪ জুলাই লন্ডনের দ্য টাইমস আরডের ২০১৫ সালের পিএইচডি গবেষণাপত্র নিয়ে একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করে। এতে গবেষণাপত্রের কয়েকটি অংশের সঙ্গে অন্য এক গবেষকের আগের একটি গবেষণাপত্রের ‘হুবহু বা প্রায় হুবহু’ মিল থাকার দাবি করা হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত এখনো চলমান। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা বা আরডের একাডেমিক কাজের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয়টি।
What's Your Reaction?