ক্র্যাবের ফের সভাপতি তমাল, সম্পাদক বাদশা

অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিটি এডিটর মির্জা মেহেদী তমাল। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বাংলা টিভির এম এম বাদশা। রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শেষে রাতে নবনির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এবার ভোটার ছিলেন ২৯৯ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২৮৪ জন। ভোট বাতিল হয়েছে পাঁচজনের। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবু তাহের। ক্র্যাবের সদস্য আহমদ আতিক ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব। নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্য পদে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২৩। সভাপতি পদে মির্জা মেহেদী তমাল ১৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আলাউদ্দিন আরিফ পেয়েছেন ১৩০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে এম এম বাদশাহ ১১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৪ ভোট এবং হাসান উজ-জামান পেয়েছেন ৪২ ভোট।

ক্র্যাবের ফের সভাপতি তমাল, সম্পাদক বাদশা

অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিটি এডিটর মির্জা মেহেদী তমাল। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বাংলা টিভির এম এম বাদশা।

রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শেষে রাতে নবনির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এবার ভোটার ছিলেন ২৯৯ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২৮৪ জন। ভোট বাতিল হয়েছে পাঁচজনের।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবু তাহের। ক্র্যাবের সদস্য আহমদ আতিক ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব। নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্য পদে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২৩।

সভাপতি পদে মির্জা মেহেদী তমাল ১৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আলাউদ্দিন আরিফ পেয়েছেন ১৩০ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে এম এম বাদশাহ ১১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৪ ভোট এবং হাসান উজ-জামান পেয়েছেন ৪২ ভোট।

যুগ্ম সম্পাদক পদে শহিদুল ইসলাম রাজী ১৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়াজ আহম্মেদ লাবু ১২৬ ভোট পেয়েছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন নিহাল হাসনাইন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আমানুর রহমান রনি পেয়েছেন ১১৯ ভোট।

অর্থ সম্পাদক পদে আমিনুল ইসলাম ১৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. এমদাদুল হক খান পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

দপ্তর সম্পাদক পদে ১৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ইসমাঈল হোসেন ইমু। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম ফয়েজ পেয়েছেন ১১৬ ভোট।

কার্যনির্বাহী সদস্য পদ তিনটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন। ২১৩ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন আবু হেনা রাসেল, ১৩৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন আইয়ুব আনসারী ও ১৩১ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন মাহবুব আলম। আরেকজন প্রার্থী হরলাল রায় সাগর পেয়েছেন ১২৯ ভোট।

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন যারা

এছাড়া এবার সহ-সভাপতি পদে জিয়া খান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মাহমুদ সোহেল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আবু জাফর, প্রশিক্ষণ ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক শাহরিয়ার জামান দীপ, আইন ও কল্যাণ সম্পাদক শেখ কালিমউল্যাহ নয়ন ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ মিজান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আগামী এক বছরের জন্য অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকদের এ সংগঠন পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবেন তারা।

টিটি/জেএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow