ক্ষমতা নয়, সেবাই মূল দায়িত্ব: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতার ভোগ নয়, বরং মানুষের কল্যাণে কাজ করা। জনগণের আস্থা অর্জন করতে না পারলে কোনো রাজনৈতিক অর্জনই টেকসই হয় না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামানের উদ্যোগে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের কার কত ক্ষমতা আছে সেটা বড় কথা নয়, আমাদের দায়িত্ব হলো সেবকের। জনগণের উপর যে দায়িত্ব আমাদের রয়েছে, সেটাই আমাদের পালন করতে হবে। মনে রাখবেন, আগামী পাঁচ বছর পর এই জনগণের কাছেই আমরা আবার দাঁড়াবো। জনগণই একমাত্র ক্ষমতার উৎস। জনগণ যেন আমাদেরকে আবার গ্রহণ করে, সেই লক্ষ্যেই আমাদের কাজ করতে হবে।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, গণতন্ত্রের চর্চা ও জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে মাঠপর্যায়ে কাজ বাড়াতে হবে। জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে না পারলে রাজনীতি অর্থহীন হয়ে পড়ে।
ইফতার মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন মোস্তফা জামান। তিনি বলেন, এই স্থান আমাদের জন্য শুধু একটি অনুষ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতার ভোগ নয়, বরং মানুষের কল্যাণে কাজ করা। জনগণের আস্থা অর্জন করতে না পারলে কোনো রাজনৈতিক অর্জনই টেকসই হয় না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামানের উদ্যোগে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের কার কত ক্ষমতা আছে সেটা বড় কথা নয়, আমাদের দায়িত্ব হলো সেবকের। জনগণের উপর যে দায়িত্ব আমাদের রয়েছে, সেটাই আমাদের পালন করতে হবে। মনে রাখবেন, আগামী পাঁচ বছর পর এই জনগণের কাছেই আমরা আবার দাঁড়াবো। জনগণই একমাত্র ক্ষমতার উৎস। জনগণ যেন আমাদেরকে আবার গ্রহণ করে, সেই লক্ষ্যেই আমাদের কাজ করতে হবে।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, গণতন্ত্রের চর্চা ও জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে মাঠপর্যায়ে কাজ বাড়াতে হবে। জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে না পারলে রাজনীতি অর্থহীন হয়ে পড়ে।
ইফতার মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন মোস্তফা জামান। তিনি বলেন, এই স্থান আমাদের জন্য শুধু একটি অনুষ্ঠানস্থল নয়, এটি একটি স্মৃতিবাহী জায়গা। ২০২৩ সালে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এখানে বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। সেই দুঃসময়ের কথা আমরা ভুলে যাইনি। আজ একই স্থানে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ইফতার মাহফিল করছি- এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সব সময় জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে রাজপথে ছিল এবং থাকবে। অতীতের শত নির্যাতন-নিপীড়ন আমাদের দমাতে পারেনি, বরং আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছে।
অনুষ্ঠানে দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ইফতারপূর্ব দোয়া মাহফিলে দেশ, জাতি এবং গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।