ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব : জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা যদি আমাদের ইনসাফভিত্তিক সরকার গঠনের সুযোগ দেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেই ছাড়ব। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার মধ্যবর্তী ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ সংলগ্ন হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বুড়িমারী থেকে রংপুর পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। কৃষিভিত্তিক অঞ্চল হওয়ায় উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প-কারখানা স্থাপন করা হবে, যাতে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সারা দেশে বাজারজাত করা যায়। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, চাঁদাবাজদের বলে দিতে চাই- এই অপকর্মের দিন আজই শেষ। পরিশুদ্ধ হয়ে ফিরে এলে সম্মানজনক কাজের সুযোগ পাবে। আর না মানলে যা করার দরকার, তাই করা হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা অপরাধ ও দুর্নীতির লেজ ধরে টান দেব না, আমরা কান ধরে টা
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা যদি আমাদের ইনসাফভিত্তিক সরকার গঠনের সুযোগ দেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেই ছাড়ব।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার মধ্যবর্তী ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ সংলগ্ন হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বুড়িমারী থেকে রংপুর পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। কৃষিভিত্তিক অঞ্চল হওয়ায় উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প-কারখানা স্থাপন করা হবে, যাতে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সারা দেশে বাজারজাত করা যায়।
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, চাঁদাবাজদের বলে দিতে চাই- এই অপকর্মের দিন আজই শেষ। পরিশুদ্ধ হয়ে ফিরে এলে সম্মানজনক কাজের সুযোগ পাবে। আর না মানলে যা করার দরকার, তাই করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা অপরাধ ও দুর্নীতির লেজ ধরে টান দেব না, আমরা কান ধরে টান দেব। মাথা ঠিক হলে শরীর ঠিক হয়। গত ৫৪ বছরে জনগণের টাকা লুট হয়েছে, অথচ জনগণ তাদের ন্যায্য প্রাপ্য পায়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটে বাংলাদেশ নতুন পথ খুঁজে পাবে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পরিবর্তনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণরাই দেশকে নতুন দিশা দেখাবে।
তিনি বলেন, জামায়াত দালালমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, মামলাবাজমুক্ত, ব্যাংক ডাকাতমুক্ত ও ঋণখেলাপিমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চায়।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াত আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলবে। “হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি,”- উল্লেখ করে বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি অভিযোগ করেন, যারা ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ চায় না, তারা পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে যেতে চায়।
নীলফামারী জেলা জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির ও ডোমার-ডিমলা আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের আমির ও লালমনিরহাট সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবু তাহের।
সমাবেশে তিনটি উপজেলার সনাতন ধর্মের নেতারা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সমাবেশ শেষে জামায়াত আমির নীলফামারীর চারটি ও লালমনিরহাটের তিনটি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন।
What's Your Reaction?