ক্ষোভ ঝাড়লেন শাকসু প্রার্থী, চাইলেন ক্ষতিপূরণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ক্রীড়া সম্পাদক পদপ্রার্থী মো. শাকিল হাসান। তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে ঘিরে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ ব্যয় করে এখন তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। শনিবার (২৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ফেসবুক গ্রুপে একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এসব কথা লেখেন তিনি। শাকিল হাসান লেখেন, শাকসুও দিলেন না ক্ষতিপূরনও দিলেন না। আমার লাইফে আমি কখনো এরকম ফিনান্সিয়াল সমস্যায় পড়ি নাই, যেরকমটা গত তিন মাসে ফেইস করেছি এখনো করতেছি। সবার থেকে সাপোর্ট পেয়েই স্বতন্ত্রভাবে শাকসু করব বলে এগিয়ে যাচ্ছিলাম, অনেকে বলেছিল সাপোর্ট করবে, কিন্তু ছাত্রদল নিজেদের প্যানেলে নাম ঘোষণা করার পর (ভিতরের অনেক কিছু আর নাই বললাম, কারণ বাংলাদেশের পলিটিক্স টাই নোংরা) থেকে কারো কাছ থেকে টাকা পয়সা তেমন নেই নাই, অনেকে দিতে চাইলেও বলেছি টাকা প্যানেল থেকে পাব। আপনারা দোয়া করবেন আমার জন্য তাহলেই হবে। কারণ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় একজন লিডার বলেছিলেন আমরা আমাদের মতো কাজ করতাম উনারা সব টাকা একসাথ

ক্ষোভ ঝাড়লেন শাকসু প্রার্থী, চাইলেন ক্ষতিপূরণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ক্রীড়া সম্পাদক পদপ্রার্থী মো. শাকিল হাসান। তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে ঘিরে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ ব্যয় করে এখন তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

শনিবার (২৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ফেসবুক গ্রুপে একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এসব কথা লেখেন তিনি।

শাকিল হাসান লেখেন, শাকসুও দিলেন না ক্ষতিপূরনও দিলেন না। আমার লাইফে আমি কখনো এরকম ফিনান্সিয়াল সমস্যায় পড়ি নাই, যেরকমটা গত তিন মাসে ফেইস করেছি এখনো করতেছি। সবার থেকে সাপোর্ট পেয়েই স্বতন্ত্রভাবে শাকসু করব বলে এগিয়ে যাচ্ছিলাম, অনেকে বলেছিল সাপোর্ট করবে, কিন্তু ছাত্রদল নিজেদের প্যানেলে নাম ঘোষণা করার পর (ভিতরের অনেক কিছু আর নাই বললাম, কারণ বাংলাদেশের পলিটিক্স টাই নোংরা) থেকে কারো কাছ থেকে টাকা পয়সা তেমন নেই নাই, অনেকে দিতে চাইলেও বলেছি টাকা প্যানেল থেকে পাব। আপনারা দোয়া করবেন আমার জন্য তাহলেই হবে। কারণ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় একজন লিডার বলেছিলেন আমরা আমাদের মতো কাজ করতাম উনারা সব টাকা একসাথে দিয়ে দেবেন।

তিনি আরও লেখেন, ভাবলাম প্যানেলে যখন আছি কারো কাছে টাকা চাইব না, তাই কয়েকজনের কাছ থেকে ধার করে আমি আমার মতো কাজ করে গেছি দিনরাত। প্যানেলের দেওয়া টাকা দিলে সবাইকে দিয়ে দেব এটাই চিন্তা করে রেখেছিলাম। শুনেছিলাম ভালো টাকা ফান্ডিং আসছে আর সবাইকে সবার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, কিন্তু এর পরে অনেকের সাথে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হই। প্রশাসনের কয়েকজনের সাথে ক্ষতিপূরণ নিয়ে কথা বললে উনারা আমাকে না করে দেন। কিন্তু এরপরের ইতিহাস আমরা সবাই জানি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আমার লাইফের এরকম খারাপ সময় কখনোই আসে নাই, স্টুডেন্ট অবস্থায় আমি মেয়ের বাবা হয়েছি। সবকিছু আল্লাহর রহমতে ভালোভাবেই মেইনটেইন করেছি, আমার ওয়াইফ বিবিএর স্টুডেন্ট, মেয়ে বউ বাচ্চা সবার খরচ শুরু থেকে আমিই টিউশন করে চালাচ্ছি। কিন্তু এরকম খারাপ অবস্থার সম্মুখীন কখনোই হই নাই। আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত ও একাডেমিক ক্ষতিগ্রস্ত এই দুইটার সম্মুখীন হলাম ফাইনাল ইয়ারে এসে। ১লা এপ্রিল ফাইনাল এক্সাম কিন্তু এখনো সেমিস্টার ফি-ক্রেডিট ফি দিতে পারি নাই। এক্সামে বসা না বসা নিয়ে অনিশ্চয়তা। অথচ আমাদের দেওয়ার টাকা কয়েকজন ভোগ করতেছেন। 

ধন্যবাদ আমার প্যানেলের সকল লিডারকে। ধন্যবাদ শাবিপ্রবি প্রশাসনকে এরকমভাবে একটা নাটকে আমাদের দিয়ে অভিনয় করানোর জন্য।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুল প্রতীক্ষিত শাকসু নির্বাচন স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভর রিটের প্রেক্ষিতে স্থগিত করে হাইকোর্ট। যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow