খননের প্রয়োজন না থাকায় পুরো টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় খাল খনন ও দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা খরচ না করে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও মোহাম্মদ ইউসুফ। সরেজমিন পরিদর্শনে খালটি আগে থেকেই পর্যাপ্ত গভীর ও পানিপূর্ণ থাকায় খননের প্রয়োজনীয়তা না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি’ (ইজিপিপি) থেকে রূপসী ইউনিয়নের জারুল খাল খনন ও দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের জন্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইউসুফ খালটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে দেখা যায়, খালটি আগে থেকেই পর্যাপ্ত গভীর এবং পানিপূর্ণ। ফলে পানির নিচে খননকাজ বাস্তবায়ন সম্ভব নয় এবং নতুন করে খননেরও প্রয়োজন নেই। এ অবস্থায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা না থাকায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পরে প্রকল্পটির অগ্রগতি শূন্য শতাংশ উল্লেখ করে গত সোমবার ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে পুরো ১ কোটি ৫৪ লাখ
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় খাল খনন ও দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা খরচ না করে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও মোহাম্মদ ইউসুফ। সরেজমিন পরিদর্শনে খালটি আগে থেকেই পর্যাপ্ত গভীর ও পানিপূর্ণ থাকায় খননের প্রয়োজনীয়তা না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি’ (ইজিপিপি) থেকে রূপসী ইউনিয়নের জারুল খাল খনন ও দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের জন্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইউসুফ খালটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে দেখা যায়, খালটি আগে থেকেই পর্যাপ্ত গভীর এবং পানিপূর্ণ। ফলে পানির নিচে খননকাজ বাস্তবায়ন সম্ভব নয় এবং নতুন করে খননেরও প্রয়োজন নেই।
এ অবস্থায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা না থাকায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পরে প্রকল্পটির অগ্রগতি শূন্য শতাংশ উল্লেখ করে গত সোমবার ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে পুরো ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
বিদায়ী ইউএনও মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে জারুল খালটি আগে থেকেই যথেষ্ট গভীর ছিল। তাই নতুন করে খননের প্রয়োজন ছিল না। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই পুরো বরাদ্দ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?