খাগড়াছড়িতে জাল নোট চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জাল নোট চক্রের সক্রিয় তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে একই সিরিজের ৫০০ টাকার একাধিক জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের মধ্য বোয়ালখালী এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীঘিনালা থানার এসআই মো. রাজিব শেখের নেতৃত্বে একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মধ্য বোয়ালখালী সাবান ফ্যাক্টরি সংলগ্ন পাকা সড়ক থেকে তিনজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. হাবিব (৩২), মো. হাবিবুর রহমান (৩১) ও মো. গাজী আলম (৩২)। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একটি সংঘবদ্ধ জাল নোট চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৪টি কথিত জাল নোট উদ্ধার করা হয়, যার প্রতিটিতে একই সিরিজ নম্বর পাওয়া গেছে। বিষয়টি জালিয়াতির সুস্পষ্ট আলামত বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় এসআই মো. রাজিব শেখ বাদী হয়ে দীঘিনালা থানায় স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট, ১৯৭৪ এর ২৫(অ)(
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জাল নোট চক্রের সক্রিয় তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে একই সিরিজের ৫০০ টাকার একাধিক জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের মধ্য বোয়ালখালী এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীঘিনালা থানার এসআই মো. রাজিব শেখের নেতৃত্বে একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মধ্য বোয়ালখালী সাবান ফ্যাক্টরি সংলগ্ন পাকা সড়ক থেকে তিনজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. হাবিব (৩২), মো. হাবিবুর রহমান (৩১) ও মো. গাজী আলম (৩২)। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একটি সংঘবদ্ধ জাল নোট চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৪টি কথিত জাল নোট উদ্ধার করা হয়, যার প্রতিটিতে একই সিরিজ নম্বর পাওয়া গেছে। বিষয়টি জালিয়াতির সুস্পষ্ট আলামত বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় এসআই মো. রাজিব শেখ বাদী হয়ে দীঘিনালা থানায় স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট, ১৯৭৪ এর ২৫(অ)(ই) ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে এসআই প্রানতোষ বনিককে।
দীঘিনালা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. ইকবাল বাহার বলেন, এ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জাল নোট সরবরাহের উৎস শনাক্তে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?