খার্গ দ্বীপে ব্যাপক তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের আশপাশের সমুদ্র এলাকায় বড় ধরনের তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ ও জ্বালানি বিশ্লেষকেরা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপারনিকাস সেন্টিনেল-১, সেন্টিনেল-২ ও সেন্টিনেল-৩ স্যাটেলাইটে ৬ থেকে ৮ মের মধ্যে ধারণ করা ছবিতে খার্গ দ্বীপের পশ্চিমে বিস্তীর্ণ জলরাশিতে ধূসর-সাদা রঙের একটি স্তর দেখা গেছে। পরিবেশবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কনফ্লিক্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অবজারভেটরির গবেষক লিওন মোরল্যান্ড জানিয়েছেন, ছবিতে দেখা স্তরটির আকৃতি তেলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর বিস্তৃতি প্রায় ৪৫ বর্গকিলোমিটার হতে পারে। জলবায়ু ও জ্বালানি বিশ্লেষণ সংস্থা ডাটা ডেস্কের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লুই গডার্ডও একই ধরনের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধ শুরুর পর এটিই সবচেয়ে বড় তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা হতে পারে। তবে কী কারণে এ তেল ছড়িয়ে পড়েছে বা কোথা থেকে এর উৎস, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গবেষকদের মতে, সর্বশেষ স্যাটেলাইট চিত্রে নতুন করে তেল নিঃসরণের কোনো স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়নি। ইরানের মোট তেল রপ্তানির

খার্গ দ্বীপে ব্যাপক তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের আশপাশের সমুদ্র এলাকায় বড় ধরনের তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ ও জ্বালানি বিশ্লেষকেরা।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপারনিকাস সেন্টিনেল-১, সেন্টিনেল-২ ও সেন্টিনেল-৩ স্যাটেলাইটে ৬ থেকে ৮ মের মধ্যে ধারণ করা ছবিতে খার্গ দ্বীপের পশ্চিমে বিস্তীর্ণ জলরাশিতে ধূসর-সাদা রঙের একটি স্তর দেখা গেছে।

পরিবেশবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কনফ্লিক্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অবজারভেটরির গবেষক লিওন মোরল্যান্ড জানিয়েছেন, ছবিতে দেখা স্তরটির আকৃতি তেলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর বিস্তৃতি প্রায় ৪৫ বর্গকিলোমিটার হতে পারে।

জলবায়ু ও জ্বালানি বিশ্লেষণ সংস্থা ডাটা ডেস্কের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লুই গডার্ডও একই ধরনের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধ শুরুর পর এটিই সবচেয়ে বড় তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা হতে পারে।

তবে কী কারণে এ তেল ছড়িয়ে পড়েছে বা কোথা থেকে এর উৎস, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গবেষকদের মতে, সর্বশেষ স্যাটেলাইট চিত্রে নতুন করে তেল নিঃসরণের কোনো স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়নি।

ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ খার্গ দ্বীপের মাধ্যমে হয়ে থাকে। এর বেশিরভাগ তেল চীনে রপ্তানি করা হয়। যুদ্ধ চলাকালে এর আগে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, তারা দ্বীপটিতে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

চলমান সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে শত শত জাহাজ আটকা পড়েছে। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহেও বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow