খাল দখলদারদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে দেখা হবে না : সড়ক প্রতিমন্ত্রী
অবৈধ দখলদারদের কোন রাজনৈতিক পরিচয়ে দেখা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, ‘যারা খাল দখল করে রেখেছে, সেগুলো উদ্ধার করা হবে।’
রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর মান্ডা এলাকায় সুখনগর-গ্রীন মডেল টাউন-মান্ডা খালের অবৈধ অংশ উদ্ধার ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন। সম্প্রতি মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, অপেক্ষাকৃত অনুন্নত ও নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত এলাকাগুলোতে সিটি কর্পোরেশনের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত খালগুলো উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে সিটি কর্পোরেশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘মশক নিয়ন্ত্রণে আমরা আজ থেকে মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছি। এই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে চার স্তরে (ওয়ার্ড পর্যায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/
অবৈধ দখলদারদের কোন রাজনৈতিক পরিচয়ে দেখা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, ‘যারা খাল দখল করে রেখেছে, সেগুলো উদ্ধার করা হবে।’
রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর মান্ডা এলাকায় সুখনগর-গ্রীন মডেল টাউন-মান্ডা খালের অবৈধ অংশ উদ্ধার ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন। সম্প্রতি মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, অপেক্ষাকৃত অনুন্নত ও নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত এলাকাগুলোতে সিটি কর্পোরেশনের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত খালগুলো উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে সিটি কর্পোরেশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘মশক নিয়ন্ত্রণে আমরা আজ থেকে মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছি। এই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে চার স্তরে (ওয়ার্ড পর্যায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/সচিব পর্যায় এবং প্রশাসক পর্যায়) নিবিড় তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন, ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সিটি কর্পোরেশনের বাজেটে অনেক ঘাটতি আছে। তবুও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে। সবাইকে সম্পৃক্ত হয়ে ঢাকা ক্লিন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘কাউন্সিলর না থাকায় স্থানীয় প্রতিনিধি নির্ধারণ করে এখন কাজ করতে হবে। রাস্তাঘাট সংস্কার ও ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় ইমামদের সম্পৃক্ত করা হবে এবং মাইকিং কার্যক্রম চলবে। তবে নাগরিকরা সচেতন না হলে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস না করলে অঞ্চলভিত্তিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।’ এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকেও এই সেবা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।
সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রায় ২৫০ জন কর্মী অংশ নেন। তারা খাল, ড্রেন, নর্দমা ও ফুটপাত পরিষ্কারের পাশাপাশি মশার ওষুধ প্রয়োগ করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও ‘বিডি ক্লিন’-এর সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি জনসচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ বিভাগীয় প্রধানগণ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।