খালি নেই কক্সবাজারের কোনো হোটেল

ঈদ উপলক্ষে দেশের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড় জমেছে। হোটেল-মোটেল-রিসোর্টসহ শহরের ৫ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কোথাও কোনো রুম খালি নেই। ৩০ মার্চ পর্যন্ত বেশিরভাগ হোটেলের অগ্রিম বুকিং রয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার ( ২৪ মার্চ) বিকেলে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, সরকারি ছুটির শেষ দিন সোমবার পার হলেও কক্সবাজারে যেন উৎসব চলছে। ঈদ উপলক্ষে ছোট এই শহর জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। গত তিন দিন থেকে কোথাও তিল ধারণের জায়গা নেই। কক্সবাজারের পর্যটনস্পট সমূহে মানুষের জনসমুদ্র। ঈদের ছুটিতে আবালবৃদ্ধবনিতার বাঁধভাঙা সমাগমে সমুদ্র শহর যেন উৎসবের জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।  ঈদের ৪র্থ দিনেও সৈকতের সব পয়েন্টে মানুষের ভিড়ে লোকারণ্য বিশাল বালিয়াড়ি। হোটেলগুলোর রুম আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রেখেছেন পর্যটকরা। অতিরিক্ত পর্যটকের কারণে হোটেল- রেস্তোরাঁ, অভ্যন্তরীণ পরিবহনে পর্যটকদের বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে।  অনেক পর্যটক কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত ঘুরতে এসে পার্শ্ববর্তী রামুর বৌদ্ধ প্যাগোডায়, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, কুতুবদিয়ার বাতিঘর ঘুরতে যান। এতে একেকজন পর্যটক কয়েকদিন

খালি নেই কক্সবাজারের কোনো হোটেল

ঈদ উপলক্ষে দেশের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড় জমেছে। হোটেল-মোটেল-রিসোর্টসহ শহরের ৫ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কোথাও কোনো রুম খালি নেই। ৩০ মার্চ পর্যন্ত বেশিরভাগ হোটেলের অগ্রিম বুকিং রয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার ( ২৪ মার্চ) বিকেলে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, সরকারি ছুটির শেষ দিন সোমবার পার হলেও কক্সবাজারে যেন উৎসব চলছে। ঈদ উপলক্ষে ছোট এই শহর জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। গত তিন দিন থেকে কোথাও তিল ধারণের জায়গা নেই।

কক্সবাজারের পর্যটনস্পট সমূহে মানুষের জনসমুদ্র। ঈদের ছুটিতে আবালবৃদ্ধবনিতার বাঁধভাঙা সমাগমে সমুদ্র শহর যেন উৎসবের জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। 

ঈদের ৪র্থ দিনেও সৈকতের সব পয়েন্টে মানুষের ভিড়ে লোকারণ্য বিশাল বালিয়াড়ি। হোটেলগুলোর রুম আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রেখেছেন পর্যটকরা। অতিরিক্ত পর্যটকের কারণে হোটেল- রেস্তোরাঁ, অভ্যন্তরীণ পরিবহনে পর্যটকদের বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে। 

অনেক পর্যটক কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত ঘুরতে এসে পার্শ্ববর্তী রামুর বৌদ্ধ প্যাগোডায়, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, কুতুবদিয়ার বাতিঘর ঘুরতে যান। এতে একেকজন পর্যটক কয়েকদিনের জন্য রুম বুকিং দিয়ে রাখেন।

কক্সবাজার হোটেল টাইড ওয়াটারের ব্যবস্থাপক আনোয়ার সিকদার বলেন, আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত আমাদের হোটেলের অগ্রিম রুম বুকিং দেওয়া আছে। আমরা কোনো পর্যটকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছি না। আগের মতোই সবকিছু চলছে।

হোটেল মোটেল মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, হোটেল-মোটেল-রিসোর্টসহ শহরের ৫ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কোথাও কোনো রুম খালি নেই। ৩০ মার্চ পর্যন্ত বেশির ভাগ হোটেলের অগ্রিম বুকিং রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে পর্যটকের চাপ বেড়েছে, প্রায় সব হোটেলেই পর্যটক আছেন। আমরা সব হোটেলকে নির্দেশনা দিয়েছি যেন পর্যটকদের হয়রানি করা না হয় এবং ন্যায্যমূল্য রাখা হয়।’

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল হক জানান, পর্যটন সংশ্লিষ্টরা ট্যুরিস্টদের হয়রানি না করে সেদিকটাই আমরা গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। পর্যটকদের যাতে অতিরিক্ত টাকা গুণতে না হয়, সেজন্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান জানান, ‘পর্যটকরা এই শহরের অতিথি, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ যে-কোনো সেবায় জেলা প্রশাসন সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow