খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে দেননি সেনা কর্মকর্তা নাছের
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক, সেনাবাহিনীর সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছের সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে দেননি বলে আদালতকে অভিযোগ জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালতে রিমান্ড শুনানিতে এ অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই কফিল উদ্দিন তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আফজাল নাছের ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে কর্মরত ছিলেন। মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দীনের আমলে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ীদের অত্যাচার করেছিল। বিশেষ করে বিএনপি নেতাকর্মীদের।’
‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে ডিজিএফআই নির্যাতন করেছিল। সেই টিমের সদস্য ছিলেন আফজাল নাছের।’
রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী বলেন, ‘তিনি (নাছের) রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিশেষ করে বিএনপির নেতা
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক, সেনাবাহিনীর সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছের সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে দেননি বলে আদালতকে অভিযোগ জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালতে রিমান্ড শুনানিতে এ অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই কফিল উদ্দিন তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আফজাল নাছের ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে কর্মরত ছিলেন। মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দীনের আমলে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ীদের অত্যাচার করেছিল। বিশেষ করে বিএনপি নেতাকর্মীদের।’
‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে ডিজিএফআই নির্যাতন করেছিল। সেই টিমের সদস্য ছিলেন আফজাল নাছের।’
রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী বলেন, ‘তিনি (নাছের) রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের দমন ও নির্যাতন করেছেন। আব্দুল আউয়াল মিন্টু, লুৎফুজ্জামান বাবর, মোসাদ্দেক আলী ফালুকে মিথ্যাচার করে গ্রেপ্তার করেছিল। সেই টিমে ছিলেন আফজাল নাছের।’
‘অত্যাচার করেও তার জিঘাংসা শেষ হয়নি। খালেদা জিয়াকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেভাবে মামলার পর মামলা দিয়ে পঙ্গু করে দিয়েছিল, মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রেখে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল। তাকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে দেয়া হয়নি।’
‘নিরূপায় হয়ে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে ইউনাইটেড গ্রুপের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়ায় তিনি (নাছের) খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা নিতে দেননি। (সেনাবাহিনী থেকে) বরখাস্ত হয়েও তিনি নানাভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনার সহযোগী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনাকে রক্ষা করার জন্য কাজ করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তার সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করেছি।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলাল উদ্দিন রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানিতে তিনি বলেন,‘এই মামলায় আসামির নাম ছাড়া সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। বিগত দিনে যদি তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতেন, তাহলে আওয়ামী লীগ তাকে পুরস্কৃত করত। কিন্তু তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি রুটি-রুজির জন্য ইউনাইটেড গ্রুপে চাকরি করেন। সাত দিনের রিমান্ড বাতিল করে জামিনের প্রার্থনা করছি।’
শুনানি শেষে আদালত থেকে তার ৬ দিনের রিমান্ডের আদেশ আসে।