গণতন্ত্র যতবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে, মানুষ ততবার বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে

দেশে গণতন্ত্র যতবার হোঁচট খেয়েছে বা বাধাগ্রস্ত হয়েছে, ততবারই দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জনগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নেতৃত্বে এনেছিল। একইভাবে ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরও জনগণ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছে। রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের স্মরণে এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং অন্যায়, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের কোনো স্থান থাকবে না। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদ

গণতন্ত্র যতবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে, মানুষ ততবার বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে

দেশে গণতন্ত্র যতবার হোঁচট খেয়েছে বা বাধাগ্রস্ত হয়েছে, ততবারই দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জনগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নেতৃত্বে এনেছিল। একইভাবে ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরও জনগণ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের স্মরণে এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং অন্যায়, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের কোনো স্থান থাকবে না।

তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো একদিনের ঘটনা নয়। গত ১৭ বছরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের ওপর যে নিপীড়ন, গুম, খুন ও দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে, তারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল এই গণঅভ্যুত্থান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘদিনের জনঅসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। এ আন্দোলন কোনো একক সংগঠনের নেতৃত্বে হয়নি, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আত্মত্যাগ হৃদয়ে ধারণ করেন এবং তার কর্মকাণ্ডেই সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটছে।

অনুষ্ঠানে জুলাই শহিদ ইঞ্জিনিয়ার সাজ্জাদ হোসেনের মা, সেলিম তালুকদারের বাবা এবং আতিক আহমেদের বড় ভাই তাদের সন্তান ও ভাইয়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা উপস্থিত সকলের সামনে বর্ণনা করলে সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধারা, জেটেবের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেটেব-এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলম।   

এমইউ/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow