গণমাধ্যমে যৌন হয়রানি রোধে নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে কাজ করবে ২ প্রতিষ্ঠান
গণমাধ্যমে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের আইনগত ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এবং মনোবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সঙ্গে পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে নারী সাংবাদিক নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ। বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক সই করা হয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ব্রিটিশ সম্প্রচার সংস্থার উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার (বিবিসি মিডিয়া একশন) সহায়তায় পরিচালিত নারী সাংবাদিকদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ ও যৌন হয়রানি মোকাবিলা প্রকল্পের আওতায় এই কৌশলগত অংশীদারত্ব শুরু হয়েছে। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, মনোবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক মনোবিজ্ঞানী নাজমুল হোসেন এবং নারী সাংবাদিক নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সমন্বয়কারী আঙ্গুর নাহার মন্টি। অনুষ্ঠানে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রধান মো. আল মামুন বলেন, এই সমঝোতা স্মারক কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং গণমাধ্যমে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সম্মিলিত অঙ্গীকার। এর মা
গণমাধ্যমে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের আইনগত ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এবং মনোবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সঙ্গে পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে নারী সাংবাদিক নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ।
বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক সই করা হয়।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ব্রিটিশ সম্প্রচার সংস্থার উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার (বিবিসি মিডিয়া একশন) সহায়তায় পরিচালিত নারী সাংবাদিকদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ ও যৌন হয়রানি মোকাবিলা প্রকল্পের আওতায় এই কৌশলগত অংশীদারত্ব শুরু হয়েছে।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, মনোবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক মনোবিজ্ঞানী নাজমুল হোসেন এবং নারী সাংবাদিক নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সমন্বয়কারী আঙ্গুর নাহার মন্টি।
অনুষ্ঠানে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রধান মো. আল মামুন বলেন, এই সমঝোতা স্মারক কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং গণমাধ্যমে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সম্মিলিত অঙ্গীকার। এর মাধ্যমে সংবাদকর্মীরা সচেতনতার পাশাপাশি সরাসরি ও কার্যকর সুরক্ষার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির প্রভাব অনেক সময় পুরুষরা উপলব্ধি করতে পারেন না। তিনি জানান, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে লিঙ্গসমতা নীতি এবং হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি সক্রিয় করতে মহিলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে।
মনোবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক নাজমুল হোসেন বলেন, আইনি প্রতিকারের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের মানসিক আঘাত কাটিয়ে ওঠার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
নারী সাংবাদিক নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সমন্বয়কারী আঙ্গুর নাহার মন্টি বলেন, এই চুক্তির ফলে মাঠ পর্যায়ের নারী সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে আইনগত পরামর্শ ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।
অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহনাজ শারমীন ও রিতা নাহার। এছাড়া উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাটির রাশেদুল হাসান ও আরাফাত সিদ্দিকীও বক্তব্য দেন।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমিন আল রশীদ, মৌলি ইসলাম, জুম্মাতুল বিদা ও নওরিন আহমেদ মনীশা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সীমা মোসলেম, মাসুদা রেহানা বেগম, রেখা সাহা এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নী, মুনিমা সুলতানা, শারমীন রিনভী, মাসুদ করিম, মানসুরা হোসেইন, নাজনীন আখতার, নাজনীন মুন্নী ও মিল্টন আনোয়ারসহ আরও অনেকে।
আয়োজকরা জানান, প্রকল্পের অংশ হিসেবে এরইমধ্যে সাংবাদিকদের জন্য প্রতিক্রিয়াদাতা প্রশিক্ষণ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ভাবনা বিনিময় কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি সুরক্ষা নির্দেশিকা তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এসইউজে/এএমএ
What's Your Reaction?