গভীর রাতে খাদ্যসামগ্রী কাঁধে নিয়ে অসহায়দের দুয়ারে হাজির শাহজাদপুরের মাসুম!

রাত তখন প্রায় ১টা। চারপাশ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, নীরব অন্ধকারে যখন থেমে গেছে দিনের কোলাহল ঠিক সেই সময় কাঁধে খাদ্যসামগ্রীর বস্তা নিয়ে একের পর এক অসহায় মানুষের বাড়ির দরজায় হাজির হচ্ছেন একজন মানুষ। তিনি শাহজাদপুর পৌর এলাকার শেরখালী মহল্লার মনু মেম্বারের ছেলে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকদল শাহজাদপুর পৌর শাখার সভাপতি মাসুম সরকার। জানা যায়, গত ছয় মাস ধরে নীরবে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। চাল, ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী নিয়ে কখনো সন্ধ্যার পর, আবার কখনো গভীর রাতে পৌঁছে যাচ্ছেন মানুষের বাড়িতে। সঙ্গে থাকছেন শ্রমিকদলের একদল তরুণ। গতকাল (মঙ্গলবার) রাত প্রায় ১টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের শেরখালী মহল্লায় দেখা যায় এমনই এক দৃশ্য। ঘুমন্ত শহরের নীরবতা ভেঙে নয় বরং নীরবে-নিভৃতে কয়েকজন অসহায় বৃদ্ধার বাড়িতে খাদ্যসামগ্রীর বস্তা পৌঁছে দিচ্ছেন মাসুম সরকার ও তার সঙ্গে থাকা তরুণরা। তাদের এই উদ্যোগে কারও হাতে উঠছে চাল-ডালের বস্তা, আবার কারও ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে প্রয়োজনীয় খাবার। সাহায্য নেওয়া মানুষগুলোর চোখেমুখে ফুটে উঠছে স্বস্তি। কারও কাছে হয়তো

গভীর রাতে খাদ্যসামগ্রী কাঁধে নিয়ে অসহায়দের দুয়ারে হাজির শাহজাদপুরের মাসুম!

রাত তখন প্রায় ১টা। চারপাশ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, নীরব অন্ধকারে যখন থেমে গেছে দিনের কোলাহল ঠিক সেই সময় কাঁধে খাদ্যসামগ্রীর বস্তা নিয়ে একের পর এক অসহায় মানুষের বাড়ির দরজায় হাজির হচ্ছেন একজন মানুষ। তিনি শাহজাদপুর পৌর এলাকার শেরখালী মহল্লার মনু মেম্বারের ছেলে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকদল শাহজাদপুর পৌর শাখার সভাপতি মাসুম সরকার।

জানা যায়, গত ছয় মাস ধরে নীরবে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। চাল, ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী নিয়ে কখনো সন্ধ্যার পর, আবার কখনো গভীর রাতে পৌঁছে যাচ্ছেন মানুষের বাড়িতে। সঙ্গে থাকছেন শ্রমিকদলের একদল তরুণ।

গতকাল (মঙ্গলবার) রাত প্রায় ১টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের শেরখালী মহল্লায় দেখা যায় এমনই এক দৃশ্য। ঘুমন্ত শহরের নীরবতা ভেঙে নয় বরং নীরবে-নিভৃতে কয়েকজন অসহায় বৃদ্ধার বাড়িতে খাদ্যসামগ্রীর বস্তা পৌঁছে দিচ্ছেন মাসুম সরকার ও তার সঙ্গে থাকা তরুণরা। তাদের এই উদ্যোগে কারও হাতে উঠছে চাল-ডালের বস্তা, আবার কারও ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে প্রয়োজনীয় খাবার। সাহায্য নেওয়া মানুষগুলোর চোখেমুখে ফুটে উঠছে স্বস্তি। কারও কাছে হয়তো এই খাদ্যসামগ্রী সামান্য, কিন্তু অভাবের সংসারে সেটিই হয়ে উঠছে কয়েকদিনের আশার আলো।

মাসুম সরকার বলেন, “গরিব মানুষের একটু পাশে দাঁড়ালে যে ভালো অনুভূতি পাই, তা অন্য কিছুতে পাই না। সাধ্যমতো এভাবেই অসহায় জনমানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, সমাজে যখন অনেক মানুষ নিজের ব্যস্ততা আর স্বার্থের গ-িতে আটকে থাকেন, তখন গভীর রাতে ঘুমন্ত মানুষের দুয়ারে খাবার নিয়ে হাজির হওয়া এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে মানবিকতার এক সুন্দর দৃষ্টান্ত। হয়তো এই সহায়তায় বদলে যাবে না কারও পুরো জীবন। কিন্তু অভাবের রাতে একটি পরিবারের চুলায় আগুন জ্বলবে, কোনো বৃদ্ধার মুখে ফুটবে স্বস্তির হাসি আর সেখানেই হয়তো লুকিয়ে আছে এমন মানবিক কাজের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow