গরমে ফ্রিজ নষ্ট হলেও খাবার ভালো রাখবেন যেভাবে
গরমে হঠাৎ করে ফ্রিজ খারাপ হয়ে গেলে সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দেয় রান্না করা খাবার সংরক্ষণে। উচ্চ তাপমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়, ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই খাবার নষ্ট হতে শুরু করে। এই সময় সঠিক ব্যবস্থা না নিলে খাবার নিরাপদ থাকে না এবং খাদ্যবাহিত অসুস্থতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে কিছু সহজ ও ঘরোয়া কৌশল মেনে চললে ফ্রিজ ছাড়াও কয়েক ঘণ্টা থেকে প্রায় একদিন পর্যন্ত খাবার ভালো রাখা সম্ভব। রান্না করা খাবার দ্রুত ঠান্ডা ও ঢেকে রাখা অনেকেই রান্না শেষে খাবার খোলা অবস্থায় রেখে দেন, এটা ঠিক না। এতে খাবারের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যেখানে জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই রান্না শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবার দ্রুত স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা করতে হবে। এরপর স্টিল বা কাচের পাত্রে রেখে ভালোভাবে ঢাকনা দিতে হবে। খাবার কখনোই সরাসরি রোদ বা গরম জায়গায় রাখা উচিত নয়। বরং বাড়ির ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখলে তা বেশি সময় ভালো থাকে। নির্দিষ্ট সময় পর খাবার গরম করা ফ্রিজ না থাকলে খাবার সংরক্ষণের একটি পুরোনো ও কার্যকর উপায় হলো নির্দিষ্ট সময় পর পর খাবার গরম করা। বিশেষ করে ডাল, তরকারি, মাছ বা মাংস
গরমে হঠাৎ করে ফ্রিজ খারাপ হয়ে গেলে সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দেয় রান্না করা খাবার সংরক্ষণে। উচ্চ তাপমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়, ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই খাবার নষ্ট হতে শুরু করে। এই সময় সঠিক ব্যবস্থা না নিলে খাবার নিরাপদ থাকে না এবং খাদ্যবাহিত অসুস্থতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে কিছু সহজ ও ঘরোয়া কৌশল মেনে চললে ফ্রিজ ছাড়াও কয়েক ঘণ্টা থেকে প্রায় একদিন পর্যন্ত খাবার ভালো রাখা সম্ভব।
রান্না করা খাবার দ্রুত ঠান্ডা ও ঢেকে রাখা
অনেকেই রান্না শেষে খাবার খোলা অবস্থায় রেখে দেন, এটা ঠিক না। এতে খাবারের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যেখানে জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই রান্না শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবার দ্রুত স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা করতে হবে। এরপর স্টিল বা কাচের পাত্রে রেখে ভালোভাবে ঢাকনা দিতে হবে। খাবার কখনোই সরাসরি রোদ বা গরম জায়গায় রাখা উচিত নয়। বরং বাড়ির ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখলে তা বেশি সময় ভালো থাকে।
নির্দিষ্ট সময় পর খাবার গরম করা
ফ্রিজ না থাকলে খাবার সংরক্ষণের একটি পুরোনো ও কার্যকর উপায় হলো নির্দিষ্ট সময় পর পর খাবার গরম করা। বিশেষ করে ডাল, তরকারি, মাছ বা মাংসের মতো খাবার ৪-৫ ঘণ্টা অন্তর ভালোভাবে ফুটিয়ে নিলে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি অনেকটাই কমে যায়। শুধু হালকা গরম নয়, খাবার ভালোভাবে ফুটে ওঠা পর্যন্ত গরম করা জরুরি। এতে খাবারের নিরাপত্তা কিছুটা হলেও বজায় থাকে।
ছোট ছোট ভাগে খাবার সংরক্ষণ করা
সব খাবার একসঙ্গে বড় পাত্রে না রেখে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে রাখা উচিত। এতে প্রতিবার পুরো পাত্র খুলতে হয় না। প্রয়োজন অনুযায়ী একটি অংশ ব্যবহার করে বাকি অংশ বন্ধ রাখা যায়। ফলে খাবারে বাতাস, ধুলো বা আর্দ্রতার সংস্পর্শ কম হয় এবং নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও কমে যায়।
প্রাকৃতিক উপায় সংরক্ষণ করার পদ্ধতি
ফ্রিজ না থাকলে কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতিও কাজে লাগানো যায়। খাবারের পাত্রকে বড় একটি পানি ভর্তি পাত্রের মধ্যে রাখলে তুলনামূলক ঠান্ডা পরিবেশ তৈরি হয়। অনেকেই মাটির হাঁড়ি বা কলসি ব্যবহার করেন, কারণ মাটি স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এই পদ্ধতিগুলো গরমে খাবারের স্থায়িত্ব কিছুটা বাড়াতে পারে।
সতর্ক থাকা
গরমে রান্না করা খাবার ৮-১০ ঘণ্টার বেশি বাইরে রাখা নিরাপদ নয়। যদি খাবারের গন্ধ পরিবর্তন হয়, স্বাদ বদলে যায় বা রং অস্বাভাবিক লাগে, তাহলে তা খাওয়া উচিত নয়। সামান্য অসতর্কতা বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই খাবার সংরক্ষণে সবসময় সতর্ক থাকা জরুরি।
ফ্রিজ নষ্ট হয়ে গেলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে রান্না করা খাবার কিছু সময়ের জন্য নিরাপদ রাখা সম্ভব।
সূত্র: এনডিটিভি ফুড, দ্য স্প্রুস ও অন্যান্য
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?