গাঁজার কিছু পণ্য কম ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র

গাঁজা-সংক্রান্ত নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানিয়েছেন, এফডিএ অনুমোদিত ও অঙ্গরাজ্য-লাইসেন্সপ্রাপ্ত গাঁজাকে এখন কম ঝুঁকিপূর্ণ মাদক হিসেবে পুনঃশ্রেণিবিন্যাস করা হচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গাঁজাকে সিডিউলে স্থানান্তর করা হচ্ছে। আগে একই শ্রেণিতে থাকা হেরোইন-এর মতো উচ্চঝুঁকির মাদকগুলোর সঙ্গে গাঁজাকে বিবেচনা করা হতো। তবে এই পরিবর্তন গাঁজাকে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পুরোপুরি বৈধ করছে না। বরং এটি মূলত গবেষণা, চিকিৎসা ব্যবহার এবং শিল্পখাতের জন্য কিছু বাধা কমাবে। এই পদক্ষেপের ফলে গাঁজার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। চিকিৎসকরা রোগীদের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বাড়তে পারে। এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গাঁজা নীতিতে অন্যতম বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তে গাঁজা-ভিত্তিক ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। করের চাপ কমবে এবং কোম্পানিগুলোর জন্য বিনিয়োগ পাওয়া সহজ হবে। এই সিদ্ধান্ত এসেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর একটি নির্বাহী নির্দেশ

গাঁজার কিছু পণ্য কম ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র

গাঁজা-সংক্রান্ত নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানিয়েছেন, এফডিএ অনুমোদিত ও অঙ্গরাজ্য-লাইসেন্সপ্রাপ্ত গাঁজাকে এখন কম ঝুঁকিপূর্ণ মাদক হিসেবে পুনঃশ্রেণিবিন্যাস করা হচ্ছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গাঁজাকে সিডিউলে স্থানান্তর করা হচ্ছে। আগে একই শ্রেণিতে থাকা হেরোইন-এর মতো উচ্চঝুঁকির মাদকগুলোর সঙ্গে গাঁজাকে বিবেচনা করা হতো।

তবে এই পরিবর্তন গাঁজাকে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পুরোপুরি বৈধ করছে না। বরং এটি মূলত গবেষণা, চিকিৎসা ব্যবহার এবং শিল্পখাতের জন্য কিছু বাধা কমাবে।

এই পদক্ষেপের ফলে গাঁজার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। চিকিৎসকরা রোগীদের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বাড়তে পারে।

এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গাঁজা নীতিতে অন্যতম বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্তে গাঁজা-ভিত্তিক ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। করের চাপ কমবে এবং কোম্পানিগুলোর জন্য বিনিয়োগ পাওয়া সহজ হবে।

এই সিদ্ধান্ত এসেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর একটি নির্বাহী নির্দেশনার পর, যেখানে গাঁজার ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করার কথা বলা হয়েছিল। এর আগে ২০২৪ সালে জো বাইডেন প্রশাসনও একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিল, তবে তা চূড়ান্ত হয়নি।

সূত্র: রয়টার্স

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow