গাইবান্ধায় গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস, আটক ৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পরিত্যক্ত একটি রাইস মিলের চাতালে গোপনে ছয়টি ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বাজারজাতের চেষ্টার অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন জবাইস্থল হিসেবে ব্যবহৃত চাতালের টিনের বেড়া ভাঙচুর করে। শুক্রবার (১২ জুন) উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দ রসুলপুর (মোংলা বন্দর) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তিরা হলেন— মোমিনুর রহমান, মিন্টু মিয়া, হৃদয় হোসেন, রাজিব হোসেন, মামুন মিয়া ও জোবায়দুর রহমান। তাদের বাড়ি বিভিন্ন জেলায় বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খোর্দ্দ রসুলপুর এলাকার মৃত ফজলু মাস্টারের ছেলে খাইরুল ইসলামের একটি পরিত্যক্ত রাইস মিলের চাতালের কক্ষে গোপনে ছয়টি ঘোড়া জবাই করা হয়। পরে ওই মাংস গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বিভিন্ন এলাকায় পাচারের প্রস্তুতি চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে মুহূর্তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসী অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে এবং পুলিশে খবর দেয়। এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা চাতালের টিনের বেড়া ভাঙচুর করে বিক

গাইবান্ধায় গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস, আটক ৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পরিত্যক্ত একটি রাইস মিলের চাতালে গোপনে ছয়টি ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বাজারজাতের চেষ্টার অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন জবাইস্থল হিসেবে ব্যবহৃত চাতালের টিনের বেড়া ভাঙচুর করে।

শুক্রবার (১২ জুন) উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দ রসুলপুর (মোংলা বন্দর) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— মোমিনুর রহমান, মিন্টু মিয়া, হৃদয় হোসেন, রাজিব হোসেন, মামুন মিয়া ও জোবায়দুর রহমান। তাদের বাড়ি বিভিন্ন জেলায় বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খোর্দ্দ রসুলপুর এলাকার মৃত ফজলু মাস্টারের ছেলে খাইরুল ইসলামের একটি পরিত্যক্ত রাইস মিলের চাতালের কক্ষে গোপনে ছয়টি ঘোড়া জবাই করা হয়। পরে ওই মাংস গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বিভিন্ন এলাকায় পাচারের প্রস্তুতি চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে মুহূর্তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসী অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে এবং পুলিশে খবর দেয়। এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা চাতালের টিনের বেড়া ভাঙচুর করে বিক্ষোভও দেখায়।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান, সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান শুভ ও ইউপি সদস্য নুরুন্নবী প্রধান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সাদুল্লাপুর থানার ওসি এ কে এম হাবিবুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, “ঘটনার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow