গাছ জড়িয়ে ধরা প্রতিমন্ত্রী
প্রকৃতির প্রতি প্রেম দেখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সাংবাদিক কেরামত আলী বিপ্লব।
সোমবার (১০ আগস্ট) দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বলেন, ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের আমন্ত্রণে কক্সবাজারের বন-পাহাড় দেখতে এসেছি। কিছু কিছু জায়গা দেখে সত্যিই অবাক হলাম। বিশেষ করে চকোরিয়ার মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান। শত শত বছর বয়সী হাজারো গর্জন গাছ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে। দেশের আর কোথাও এমন দৃশ্য আছে কি না, আমার জানা নেই। ঘন সবুজ আর বিশাল বিশাল গাছের ভেতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কখনো কখনো মনে হচ্ছিল—এ যেন বাংলাদেশের ভেতরে এক টুকরো আমাজন!’
তিনি লেখেন, ‘গাছগুলো এত সুন্দর, চোখ ফেরাতে ইচ্ছে করে না। সেখানেই একটি বিশাল পুরোনো ‘মা গাছ’ জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন প্রতিমন্ত্রী। গাছের প্রতি ভালোবাসা আর আবেগে তার এই শিশুসুলভ আচরণ আমার মন ছুঁয়ে গেছে।’
‘আমার সবসময় মনে হয়, সরকারের যে যেই দপ্তরের দায়িত্বে থাকুন না কেন—সেই কাজ, সেই বিষয় এবং সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতি তার সত্যিকারের দরদ থাকা খুব জরুরি। লোক দেখানো নয়, একেবারে বু
প্রকৃতির প্রতি প্রেম দেখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সাংবাদিক কেরামত আলী বিপ্লব।
সোমবার (১০ আগস্ট) দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বলেন, ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের আমন্ত্রণে কক্সবাজারের বন-পাহাড় দেখতে এসেছি। কিছু কিছু জায়গা দেখে সত্যিই অবাক হলাম। বিশেষ করে চকোরিয়ার মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান। শত শত বছর বয়সী হাজারো গর্জন গাছ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে। দেশের আর কোথাও এমন দৃশ্য আছে কি না, আমার জানা নেই। ঘন সবুজ আর বিশাল বিশাল গাছের ভেতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কখনো কখনো মনে হচ্ছিল—এ যেন বাংলাদেশের ভেতরে এক টুকরো আমাজন!’
তিনি লেখেন, ‘গাছগুলো এত সুন্দর, চোখ ফেরাতে ইচ্ছে করে না। সেখানেই একটি বিশাল পুরোনো ‘মা গাছ’ জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন প্রতিমন্ত্রী। গাছের প্রতি ভালোবাসা আর আবেগে তার এই শিশুসুলভ আচরণ আমার মন ছুঁয়ে গেছে।’
‘আমার সবসময় মনে হয়, সরকারের যে যেই দপ্তরের দায়িত্বে থাকুন না কেন—সেই কাজ, সেই বিষয় এবং সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতি তার সত্যিকারের দরদ থাকা খুব জরুরি। লোক দেখানো নয়, একেবারে বুকের আসল দরদ। এই গাছ জড়িয়ে থাকা শেখ ফরিদের মতো।’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘গত দুই দিনে আমরা ট্রলারে সাগর পাড়ি দিয়েছি, প্রায় ১৬ কিলোমিটার হেঁটেছি, পাহাড়ে উঠেছি। পুরোটা সময় প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলামকে দেখেছি সবার আগে হাঁটতে। তার মাথায় কাউকে ছাতা ধরে রাখতে হচ্ছে না। পানির বোতল নিয়ে কেউ পেছনে পেছনে হাঁটছে না। মাঠ কর্মকর্তাদের ধমক দিয়ে নিজের কর্তৃত্ব দেখাতেও দেখিনি। বরং অনেক জায়গায় থেমে তাদের কাছেই জানতে চেয়েছেন, শিখেছেন, কথা শুনেছেন।’
‘‘আর বারবার একটি কথাই বলেছেন— ‘এই দেশ আমাদের। আসেন, সবাই মিলে দেশকে ভালো রাখি।”