গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে সেনা পাঠাচ্ছে ৫ দেশ

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা-এ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনী—ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ)-এর জন্য সেনা পাঠাতে সম্মতি জানিয়েছে পাঁচটি দেশ। দেশগুলো হলো— ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া। সম্প্রতি ওয়াশিংটন-এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর এক বৈঠকে বিষয়টি জানান মার্কিন সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স। আইএসএফের সার্বিক নির্বাহী দায়িত্বে থাকা মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। বৈঠকে মেজর জেনারেল জেফার্স বলেন, গাজায় আইএসএফ দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। প্রথমত, বাহিনীটি উপত্যকার নিরাপত্তা স্থিতিশীল করবে; দ্বিতীয়ত, সেখানে বেসামরিক সরকারকে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা দেবে। তিনি আরও জানান, পুরো গাজা উপত্যকাকে পাঁচটি সেক্টরে ভাগ করা হবে এবং প্রতিটি সেক্টরে একটি করে সেনা ব্রিগেড মোতায়েন থাকবে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল গত কয়েক মাস ধরে গাজায় অবস্থান করছে। তাদের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে আইএসএফের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মেজর জেনারেল

গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে সেনা পাঠাচ্ছে ৫ দেশ

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা-এ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনী—ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ)-এর জন্য সেনা পাঠাতে সম্মতি জানিয়েছে পাঁচটি দেশ। দেশগুলো হলো— ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া।

সম্প্রতি ওয়াশিংটন-এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর এক বৈঠকে বিষয়টি জানান মার্কিন সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স। আইএসএফের সার্বিক নির্বাহী দায়িত্বে থাকা মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

বৈঠকে মেজর জেনারেল জেফার্স বলেন, গাজায় আইএসএফ দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। প্রথমত, বাহিনীটি উপত্যকার নিরাপত্তা স্থিতিশীল করবে; দ্বিতীয়ত, সেখানে বেসামরিক সরকারকে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা দেবে।

তিনি আরও জানান, পুরো গাজা উপত্যকাকে পাঁচটি সেক্টরে ভাগ করা হবে এবং প্রতিটি সেক্টরে একটি করে সেনা ব্রিগেড মোতায়েন থাকবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল গত কয়েক মাস ধরে গাজায় অবস্থান করছে। তাদের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে আইএসএফের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মেজর জেনারেল জেফার্স বলেন, গাজায় শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রথমেই নিরাপত্তা স্থিতিশীল করা জরুরি, আর সেটিই হবে তাদের অগ্রাধিকারমূলক কাজ।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত ২০ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রস্তাবে ইসরাইল এবং গাজা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস সম্মতি জানানোর পর ১০ অক্টোবর থেকে উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

ট্রাম্পের প্রস্তাবের ২০টি পয়েন্টের একটিতে উল্লেখ ছিল যে যুদ্ধপরবর্তী গাজায় একটি অস্থায়ী বেসামরিক টেকনোক্র্যাট সরকার এবং উপত্যকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন করা হবে। এই বাহিনীর সদস্যরা টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে জবাবদিহিতা করতে বাধ্য থাকবেন।

সূত্রঃ আনাদোলু এজেন্সি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow