গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৬১ জন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসাসূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৯ জন ত্রাণ নিতে গিয়ে ছিলেন। এদিকে, গাজা সিটির পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বোমা হামলা আরও তীব্র হয়েছে বলে বাসিন্দারা জানিয়েছেন।
তাছাড়া উপত্যকার বৃহত্তম শহুর গাজা সিটিতে স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। আন্তর্জাতিক মহল থেকে এই পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হলেও তারা তাতে কর্ণপাত করছে না।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই অভিযানে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটবে এবং সেখানে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি আবার বাস্তুচ্যুত হবে।
আরও পড়ুন>
- ইইউ ও ব্রিটিশ স্থাপনায় রাশিয়ার হামলা, খুশি নন ট্রাম্প
- মার্কিন পণ্যে শুল্ক প্রত্যাহার করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই অভিযানের সমালোচনা করে বৃহস্পতিবার বলেছেন, এটি যুদ্ধের একটি নতুন এবং বিপজ্জনক ধাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গাজা সিটিতে বিস্তৃত সামরিক অভিযান ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। এরই মধ্যে বিপর্যস্ত এবং মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত লাখ লাখ বেসামরিক নাগরিক আবারও পালাতে বাধ্য হবে, যা পরিবারগুলোকে আরও গভীর বিপদের মুখে ঠেলে দেবে।
গাজা সিটির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শুজাইয়া, জেইতুন এবং সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী বোমা হামলা শুরু করলে সেখানকার পরিবারগুলো তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে শুরু করে। বেশিরভাগই উপকূলের দিকে যাচ্ছিল।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার মতে, ইসরায়েলি স্থল অভিযানে জেইতুনের দক্ষিণাঞ্চলের ১৫০০ এরও বেশি বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে, যার ফলে সেখানে কোনো ভবন আর অবশিষ্ট নেই।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গাজা সিটিকে হামাসের সর্বশেষ দুর্গ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম