গাজায় সহিংসতার দায়ে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা

গাজায় বসতি স্থাপন ও সহিংসতা বৃদ্ধির অভিযোগে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ফ্রান্স। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো জানিয়েছেন, স্মোট্রিচসহ কয়েকজন অবৈধ বসতি স্থাপনকারী নেতাকে ফ্রান্সে প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বারো বলেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং নরওয়ে যৌথভাবে পশ্চিম তীরে উপনিবেশ স্থাপন ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে নতুন জাতীয় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে। ফরাসি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্মোট্রিচ ছাড়াও চারটি অবৈধ বসতি স্থাপনকারী সংগঠনের নেতা এবং সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ২১ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বারো বলেন, স্মোট্রিচ প্রকাশ্যেই গাজা ও পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম তীরে নতুন বসতি নির্মাণ, গাজা স্ট্রিপ পুনরায় বসতিস্থাপন এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অর্থনৈতিক কাঠামো দুর্বল করার নীতি সমর্থন করছেন। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এসব নীতির ফলে

গাজায় সহিংসতার দায়ে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা

গাজায় বসতি স্থাপন ও সহিংসতা বৃদ্ধির অভিযোগে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ফ্রান্স। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো জানিয়েছেন, স্মোট্রিচসহ কয়েকজন অবৈধ বসতি স্থাপনকারী নেতাকে ফ্রান্সে প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বারো বলেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং নরওয়ে যৌথভাবে পশ্চিম তীরে উপনিবেশ স্থাপন ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে নতুন জাতীয় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে।

ফরাসি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্মোট্রিচ ছাড়াও চারটি অবৈধ বসতি স্থাপনকারী সংগঠনের নেতা এবং সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ২১ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

বারো বলেন, স্মোট্রিচ প্রকাশ্যেই গাজা ও পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম তীরে নতুন বসতি নির্মাণ, গাজা স্ট্রিপ পুনরায় বসতিস্থাপন এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অর্থনৈতিক কাঠামো দুর্বল করার নীতি সমর্থন করছেন।

ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এসব নীতির ফলে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এ ধরনের অবস্থান মেনে নিতে পারে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফ্রান্সসহ আন্তর্জাতিক অংশীদাররা এখনও দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সূত্র : আল জাজিরা

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow