গাজায় হাসপাতালেও ইসরায়েলের ড্রোন হামলা

গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলের নতুন করে চালানো ড্রোন ও গোলাবর্ষণে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসাকর্মীও রয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার একটি ইসরায়েলি ড্রোন কামাল আদওয়ান হাসপাতালের ভেতরে বিস্ফোরক ফেলে। একই দিনে আল-বুরেইজ, খান ইউনিস, গাজা সিটি ও রাফাহ এলাকাতেও হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ৮ ও ৯ জুলাই উত্তর গাজায় পৃথক হামলায় হামাসের দুই সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের একজন হামাসের সামরিক উৎপাদন ইউনিটের কমান্ডার এবং অন্যজন নুসেইরাত ব্যাটালিয়নের একজন প্লাটুন কমান্ডার ছিলেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩ হাজার ৫০৭ জন আহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ১২০ জনে এবং আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৫ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কামাল আদওয়ান হাসপাতালের নির্ধারিত নিরাপদ এলাকায় ড্রোন থেকে ব

গাজায় হাসপাতালেও ইসরায়েলের ড্রোন হামলা
গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলের নতুন করে চালানো ড্রোন ও গোলাবর্ষণে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসাকর্মীও রয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার একটি ইসরায়েলি ড্রোন কামাল আদওয়ান হাসপাতালের ভেতরে বিস্ফোরক ফেলে। একই দিনে আল-বুরেইজ, খান ইউনিস, গাজা সিটি ও রাফাহ এলাকাতেও হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ৮ ও ৯ জুলাই উত্তর গাজায় পৃথক হামলায় হামাসের দুই সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের একজন হামাসের সামরিক উৎপাদন ইউনিটের কমান্ডার এবং অন্যজন নুসেইরাত ব্যাটালিয়নের একজন প্লাটুন কমান্ডার ছিলেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩ হাজার ৫০৭ জন আহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ১২০ জনে এবং আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৫ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কামাল আদওয়ান হাসপাতালের নির্ধারিত নিরাপদ এলাকায় ড্রোন থেকে বিস্ফোরক ফেলার ঘটনায় দুই হাসপাতালকর্মী আহত হয়েছেন। তারা হাসপাতালগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৩৮টি হাসপাতালের মধ্যে ৩৪টিই ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে মাত্র চারটি হাসপাতাল সীমিত সক্ষমতায় চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিম তীরেও বিভিন্ন এলাকায় অভিযান ও গ্রেপ্তার চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, আল-খলিলের দক্ষিণে আসফি এলাকায় বসতি স্থাপনকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। সূত্র: শাফাক নিউজ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow