গাজীপুর-৫ আসনে লাঙ্গল-হাতপাখাসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চরম ভরাডুবি হয়েছে। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় এই প্রার্থীদের নির্বাচনী জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পুবাইল ইউনিয়নের ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড এবং গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনে এবার ভোটের লড়াই ছিল বেশ জমজমাট। তবে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছাড়া বাকিরা ভোটারদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। গাজীপুর-৫ আসনে এবার মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ১৬৭টি। সেই হিসেবে জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ২৭ হাজার ৮৯৫টি ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ৫ জন প্রার্থী এই কোটা পূর্ণ করতে
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে চরম ভরাডুবি হয়েছে। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় এই প্রার্থীদের নির্বাচনী জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পুবাইল ইউনিয়নের ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড এবং গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনে এবার ভোটের লড়াই ছিল বেশ জমজমাট। তবে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছাড়া বাকিরা ভোটারদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। গাজীপুর-৫ আসনে এবার মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ১৬৭টি। সেই হিসেবে জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ২৭ হাজার ৮৯৫টি ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ৫ জন প্রার্থী এই কোটা পূর্ণ করতে পারেননি।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন— জাতীয় পার্টির ডা. মো. সফিউদ্দিন সরকার (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান (হাতপাখা), গণফোরামের মো. কাজল ভূইয়া (উদীয়মান সূর্য), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আল আমিন দেওয়ান (চেয়ার) এবং জনতার দলের মো. আজম খান (কলম)। তৃণমূল পর্যায়ের ভোটারদের মতে, বড় দলগুলোর প্রার্থীরা মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও ছোট দল বা স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়ানো প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারেননি। এমনকি জাতীয় পার্টির মতো বড় দলের প্রার্থীর জামানত হারানো নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী জামানত হারানো প্রার্থীদের জমা দেওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে। এ আসনে মোট বৈধ ভোটের বিপরীতে প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান ছিল আকাশছোঁয়া, যা এই পাঁচ প্রার্থীর জামানত হারানোর মূল কারণ।
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও জামানত হারানোর এই ঘটনা সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
What's Your Reaction?