গাজীপুরে আরও এক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল এলাকায় অবস্থিত ডাইরেক্ট স্পোর্টস অ্যান্ড লেইজারওয়্যার (বিডি) লিমিটেড কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে পুবাইলের করমতলা এলাকায় কারখানার প্রধান ফটকে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ টানানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ৪, ৫ ও ৬ জানুয়ারি কারখানার শ্রমিকরা অবৈধভাবে কাজ বন্ধ রেখে কারখানার ভেতরে বিশৃঙ্খল ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এ সময় কারখানা কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একাধিকবার শ্রমিকদের কাজে যোগদানের অনুরোধ জানালেও তারা কাজে ফেরেননি। বরং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অসদাচরণ করেন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শ্রমিকদের এই কর্মকাণ্ডকে অবৈধ ধর্মঘট হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১৩(১) ধারার আওতায় ৭ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানার সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত কারখানার সিকিউরিটি বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নতুন নোটিশের মাধ্যমে কারখানা পুনরায় চালুর তারিখ জানানো হবে।
গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল এলাকায় অবস্থিত ডাইরেক্ট স্পোর্টস অ্যান্ড লেইজারওয়্যার (বিডি) লিমিটেড কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে পুবাইলের করমতলা এলাকায় কারখানার প্রধান ফটকে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ টানানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ৪, ৫ ও ৬ জানুয়ারি কারখানার শ্রমিকরা অবৈধভাবে কাজ বন্ধ রেখে কারখানার ভেতরে বিশৃঙ্খল ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এ সময় কারখানা কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একাধিকবার শ্রমিকদের কাজে যোগদানের অনুরোধ জানালেও তারা কাজে ফেরেননি। বরং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অসদাচরণ করেন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শ্রমিকদের এই কর্মকাণ্ডকে অবৈধ ধর্মঘট হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১৩(১) ধারার আওতায় ৭ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানার সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত কারখানার সিকিউরিটি বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নতুন নোটিশের মাধ্যমে কারখানা পুনরায় চালুর তারিখ জানানো হবে।
এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পরিদর্শক (সদর জোন) ফারুকুল আলম জানান, শ্রমিকদের অভিযোগ— প্রতি মাসে তিন থেকে চার শ্রমিককে ছাঁটাই করা হচ্ছে। শ্রমিকদের আশঙ্কা, এভাবে ছাঁটাই চলতে থাকলে ভবিষ্যতে অনেকেই চাকরি হারাতে পারেন। এজন্য তারা ছাঁটাই বন্ধের দাবি জানিয়ে আন্দোলনে নামেন। পাশাপাশি তারা মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইলেও মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না বলে দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটের মধ্যেও ভর্তুকি দিয়ে কারখানা পরিচালনা করা হচ্ছিল। তবে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের কারণে আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় কারখানা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কারখানা মালিক পক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও কারখানা বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নোটিশে দেওয়া মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।